ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

হবিগঞ্জে পাহাড়ি ঢলে পানিবন্দি ৩ গ্রাম, বিপর্যস্ত জনজীবন


  • আপলোড সময় : শনিবার ১৩ জুন, ২০২৬ সময় : ৮:০২ পিএম

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নে আকস্মিক পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টিতে তিনটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। শুক্রবার রাত থেকে শুরু হওয়া ঢলে ভান্ডারুয়া, জামালপুর ও এক্তিয়ারপুর গ্রামের শত শত পরিবার পানিবন্দি হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও টানা বর্ষণে রাতারাতি পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ওই তিন গ্রামের রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে। এলাকাটির যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন। পানিবন্দি অনেক পরিবার ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। আকস্মিক এই বন্যায় কয়েকশ একর আউশ ধান ও মৌসুমি শাকসবজি তলিয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গবাদিপশুর খাদ্য। এ ছাড়া বেশ কিছু কাঁচা ও মাটির তৈরি বসতঘর ভেঙে ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে।

এক্তিয়ারপুর গ্রামের কৃষক সুন্দর আলী বলেন, ‘আমার ঘরে পানি উঠেছে। রাস্তায় হাঁটুর উপরে পানি, চলাফেরা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সব ফসল পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় আমরা দিশেহারা।’ জামালপুর গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ূন কবীর জানান, পুরো গ্রাম পানিতে ডুবে আছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভ করে স্থানীয় সংসদ সদস্য এসএম ফয়সলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত ত্রাণ সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।

শাহজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. পারভেজ চৌধুরী শনিবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো ত্রাণ বা উদ্ধার কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় দ্রুত সরকারি উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমি ইতিমধ্যে বিষয়টি খোঁজখবর নিয়েছি। ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বাড়িঘরে পানি উঠেছে। কারো মানবিক সহায়তা প্রয়োজন হলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে আমরা দ্রুত পৌঁছে দেব। ইতিমধ্যে পিআইও এবং উপজেলা প্রশাসন এলাকাগুলো পরিদর্শন করেছে। তবে বর্তমানে পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে।’


এ সম্পর্কিত আরো খবর