ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানবতাবিরোধী অপরাধ: ওবায়দুল কাদের ও আরাফাতসহ ৭ জনের রায় আজ কেন ভারত থেকে টনে টনে ইলিশ আসছে বাংলাদেশে? যুদ্ধ শেষে ইরানের তেলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ইঙ্গিত ট্রাম্পের ৫০ পেরিয়ে পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন জেমিমা গোল্ডস্মিথ গ্রিসে নৌকা ডুবে ১ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু, নিখোঁজ ২৫ আজ মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ সৌদির তায়েফসহ ৩ শহরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, আহত ১৩ আট বিভাগেই বৃষ্টির শঙ্কা, অপরিবর্তিত থাকবে দিন-রাতের তাপমাত্রা ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ডে সিঁড়িতে হুড়োহুড়িতে ঝরল ৬ প্রাণ উত্তরপত্র মূল্যায়নে ভুল করলে পরীক্ষকের ২ বছরের জেল

সুশাসন ছাড়া এনবিআরকে দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অসম্ভব: ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য


  • আপলোড সময় : সোমবার ১৫ জুন, ২০২৬ সময় : ৭:২২ পিএম

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘বাজেটের হিসাব মেলানোর জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) এক বিশাল ও অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো ও যথাযথ সুশাসন নিশ্চিত করা না গেলে এই রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কোনোভাবেই সম্ভব নয়।’

আজ সোমবার (১৫ জুন) সকালে দেশের প্রস্তাবিত নতুন জাতীয় বাজেট নিয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) পক্ষ থেকে আয়োজিত এক বিশেষ মিডিয়া ব্রিফিং ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য দেশের কর কাঠামোর সমালোচনা করে আরও বলেন, ‘অর্থনীতির সাধারণ নিয়ম হলো—যার বেশি সম্পদ আছে, তাকেই সমাজ ও রাষ্ট্রকে বেশি কর দিতে হবে। অথচ আমাদের সরকার ক্রমান্বয়ে ভ্যালু অ্যাডেড ট্যাক্স বা ভ্যাট নির্ভর কর কাঠামোর দিকে বেশি এগোচ্ছে। সরকারের এই পরোক্ষ কর নীতির কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ শেষ পর্যন্ত দেশের সাধারণ ও স্বল্প আয়ের মানুষের ওপরেই গিয়ে পড়বে, যা তাঁদের জীবনযাত্রাকে আরও কঠিন করে তুলবে।’

প্রস্তাবিত বাজেটের নতুন আয়কর কাঠামো দেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের ওপর তীব্র মানসিক ও অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করবে বলে মন্তব্য করেন এই বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ। তিনি মনে করেন, সাধারণ মানুষের ওপর চাপ না বাড়িয়ে এবারের বাজেটে ধনীদের ওপর আরও বেশি করে সম্পদ কর বা সারচার্জ আরোপ করা উচিত ছিল।

বাজেটের বিভিন্ন সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি আরও মন্তব্য করেন, এবারের বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং রাজস্ব আহরণের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্তে এক ধরনের অবাস্তব ও গাণিতিক ছলচাতুরীর আশ্রয় নেওয়া হয়েছে, যা বাস্তব অর্থনীতির চিত্রের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।


এ সম্পর্কিত আরো খবর