ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

অস্বাস্থ্যকর কারখানায় আইসক্রিম উৎপাদন, এক লাখ টাকা জরিমানা


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬ সময় : ৬:০৩ পিএম

মাদারীপুর প্রতিনিধি:

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে আইসক্রিম এবং শিশু খাদ্য উৎপাদনের অভিযোগে একটি কারখানার মালিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে শিবচর উপজেলার বন্দরখোলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাইখা সুলতানা। অভিযানে পপুলার আইসক্রিম নামের প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে নিরাপদ খাদ্য আইনের আওতায় এ জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম ও শিশুদের বিভিন্ন খাদ্যপণ্য উৎপাদন করে বাজারজাত করে আসছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ এবং প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কারখানাটিতে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানকালে দেখা যায়, খাদ্য উৎপাদনের পরিবেশ অত্যন্ত অপরিচ্ছন্ন এবং স্বাস্থ্যবিধিবহির্ভূত। উৎপাদন ও সংরক্ষণ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়নি। এমন পরিবেশে উৎপাদিত খাদ্যপণ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আদালত তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।


নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাইখা সুলতানা জানান, অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে আইসক্রিম ও শিশু খাদ্য উৎপাদনের দায়ে পপুলার আইসক্রিমকে নিরাপদ খাদ্য আইনের ৫৩ ধারায় এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি বলেন, জনস্বার্থে খাদ্যের মান নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

জানা গেছে, এটি প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নয়। এর আগে ২০২৩ সালের ১৯ জুন একই কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অনুমোদনহীন খাবার স্যালাইন ও ভেজাল খাদ্যপণ্য জব্দ করেছিল জেলার গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা।

সে সময় কারখানা থেকে ২২৪ কার্টন খাবার স্যালাইন, বিএসটিআইয়ের অনুমোদনহীন তেতুলের চাটনি, ঝালমুড়ি, চিপস, নোংরা পরিবেশে তৈরি ৮ ড্রাম মটরভাজা, পণ্য বাজারজাতকরণের মোড়ক এবং স্যালাইন তৈরির বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করা হয়। পরে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেয় প্রশাসন।

তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পরবর্তীতে মুচলেকা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি পুনরায় চালু করা হয়। এরপরও একই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে শিশু খাদ্য ও অন্যান্য খাদ্যপণ্য উৎপাদন করে আসছিল প্রতিষ্ঠানটি। সর্বশেষ অভিযানে আবারও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর