ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬ দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৯৮২ জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান

সাতক্ষীরার তিন উপজেলায় তিনজনের মরদেহ উদ্ধার


  • আপলোড সময় : শনিবার ২০ জুন, ২০২৬ সময় : ৬:৪৮ পিএম

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরার সদর, কলারোয়া ও আশাশুনি উপজেলার পৃথক তিনটি স্থান থেকে তিন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৯ জুন) এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সদর উপজেলার ধুলিহর বেড়বাড়ি গ্রামে নিজ ঘর থেকে অমিত হাসান (২৫) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি ওই গ্রামের মোসলেম সরদারের ছেলে। শুক্রবার সকালে স্থানীয়দের দেওয়া সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান, অমিত হাসান অনলাইন জুয়ায় আসক্ত ছিলেন। এর ফলে তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন এবং পরবর্তীতে মাদকাসক্ত হয়ে ওঠেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এসব কারণে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে, কলারোয়া উপজেলার জালালাবাদ গ্রামের একটি মোবাইল ফোন টাওয়ারের পাশ থেকে মেহেদী হাসান নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি উপজেলার কয়লা গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে এবং পেশায় মধু ব্যবসায়ী ছিলেন।

কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিন জানান, স্থানীয় গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে তিনি নিজেও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। মরদেহের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওসি আরও জানান, অন্য কোনো স্থানে হত্যার পর মরদেহ টেনে এনে ডোবার মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে আলামত পাওয়া গেছে। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ গুরুত্বসহকারে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের বেউলা লম্বাডাঙ্গা খাল থেকে আব্দুর রহিম (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার শ্বেতপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং ফরিদ উদ্দীনের ছেলে।

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমেদ খান জানান, আব্দুর রহিম দীর্ঘ প্রায় ১৪ বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। এ কারণে অধিকাংশ সময় তাকে পরিবারের সদস্যরা শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতেন। তবে শারীরিক ও মানসিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তিনি ভোরে নামাজ আদায়ের জন্য বাড়ি থেকে বের হতেন।

শুক্রবার ভোরেও তিনি নামাজ পড়তে বের হন। পরে স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে বেউলা লম্বাডাঙ্গা খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অপেক্ষা করছে পুলিশ। তিনটি ঘটনায় পৃথকভাবে আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট থানাগুলো জানিয়েছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর