স্থানীয় ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন দুপুরে বিদ্যালয় সংলগ্ন একটি দোকানের সামনে ওই ছাত্রী অবস্থান করছিল। এ সময় রনি মিয়া তাকে উত্ত্যক্ত করতে শুরু করে এবং এক পর্যায়ে তার হাত ধরে টানাটানি করে। বিষয়টি বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শামছুল আলমের নজরে এলে তিনি দ্রুত সাধারণ শিক্ষার্থীদের সহায়তায় ওই যুবককে হাতেনাতে আটক করেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সামছুল হক জানান, রনি এর আগেও বিভিন্ন সময়ে এ ধরনের অশোভন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিল। অভিযুক্তকে আটকে রেখে দ্রুত আউলিয়া বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করে।
খবর পেয়ে বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সকিনা আক্তার দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত রনি মিয়াকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সকিনা আক্তার বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করা বা নারীর প্রতি কোনো ধরনের হয়রানি বরদাশত করা হবে না। ভবিষ্যতে যেন এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেজন্য তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সবাইকে কড়া সতর্কতা প্রদান করেন।