ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

ইউরোপে চরম তাপপ্রবাহের ছোবল: বেলজিয়ামে ১৫ দিনে ২০০০ প্রাণহানি


  • আপলোড সময় : শনিবার ১৮ জুলাই, ২০২৬ সময় : ৬:৪৮ পিএম

চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে ইউরোপ মহাদেশজুড়ে শুরু হওয়া রেকর্ডভাঙা তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এই চরম আবহাওয়ার কবলে পড়ে জুনের শেষ ভাগ থেকে জুলাইয়ের শুরু পর্যন্ত মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে বেলজিয়ামে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ২ হাজার মানুষ।

বেলজিয়ামের রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান সিয়েনসানো এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই উদ্বেগজনক তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, গত ১৮ জুন থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত এই ১৫ দিনে দেশটিতে এই বিপুল সংখ্যক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ভৌগোলিক বিবেচনায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে বেলজিয়ামের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ ওয়ালোনিয়াতে। এরপর মৃত্যুর সংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে দেশটির রাজধানী ব্রাসেলস এবং উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ ফ্ল্যান্ডার্স।

বিবৃতিতে সিয়েনসানোর পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, ২০০০ সাল থেকে দেশে তাপপ্রবাহ জনিত মৃত্যুর সমস্ত রেকর্ড সংরক্ষণ করছে সংস্থাটি। গত দুই দশকেরও বেশি সময়ের নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এ বছরই প্রথম তীব্র দাবদাহের কারণে সৃষ্ট হিটস্ট্রোক ও নানাবিধ শারীরিক জটিলতায় ভুগে বেলজিয়ামে এত বিপুল সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হলো।

এর আগে বেলজিয়ামে গ্রীষ্মকালীন চরম দাবদাহের কারণে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড হয়েছিল ২০২০ সালে। সে বছর দেশটিতে দাবদাহের কারণে ১ হাজার ৫৫৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছিল। তবে এবার মাত্র ১৫ দিনেই সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন বিপর্যয় তৈরি হলো। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপি এবং আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে এই আশঙ্কাজনক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর