ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

ইতিহাস গড়ে এমবাপের হাতেই উঠল দ্বিতীয় ‘গোল্ডেন বুট’


  • আপলোড সময় : সোমবার ২০ জুলাই, ২০২৬ সময় : ১:০৮ পিএম

ফুটবলবিশ্বের সবচেয়ে বড় মঞ্চে লিওনেল মেসির সামনে ছিল এক পাহাড় ডিঙানোর কঠিন পরীক্ষা। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ‘গোল্ডেন বুট’ নিজের করে নিতে ফাইনালের মহারণেই আর্জেন্টাইন মহাতারকার প্রয়োজন ছিল অন্তত দুটি গোল এবং একটি অ্যাসিস্ট। আর যদি তিনি হ্যাটট্রিক করতে পারতেন, তবে হিসাব-নিকাশের সব জটিলতা এক নিমেষেই কেটে যেত। তখন আর কোনো অ্যাসিস্টের সমীকরণের প্রয়োজন পড়ত না আলবিসেলেস্তে অধিনায়কের।

তবে মেটলাইফ স্টেডিয়ামের জমকালো ফাইনালে এবার আর কোনো রূপকথা লিখতে পারেনি আর্জেন্টিনা। স্পেনের টিকিটাকা ফুটবলের সামনে ১-০ গোলে হেরে রানার আপ হয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচে গোল করা তো দূরের কথা, কোনো অ্যাসিস্টও করতে পারেননি মেসি। আর তাতেই সম্পূর্ণ নিরাপদে থেকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মর্যাদাপূর্ণ গোল্ডেন বুটের পুরস্কার নিজের করে নিলেন ফরাসি ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপে।

চলতি বিশ্বকাপে ১০টি গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট করে গোলদাতার তালিকায় সবার শীর্ষে ছিলেন এমবাপে। বিশেষ করে ফ্রান্সের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জোড়া গোল করার পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্ট করেছিলেন তিনি। আর তাতেই মেসির সঙ্গে তাঁর ব্যবধানটা অনেকটা বেড়ে যায়, যা ফাইনালের আগে আর্জেন্টাইন অধিনায়কের ওপর এক মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি করেছিল।

বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হওয়া স্বপ্নের ফাইনালের আগে মেসির নামের পাশে ছিল ৮টি গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট। গোল্ডেন বুট জিততে মেসির সামনে মূলত দুটি গাণিতিক পথ খোলা ছিল। প্রথমত, মেসিকে হ্যাটট্রিক করতে হতো, যেন এককভাবে গোলসংখ্যায় তিনি এমবাপেকে ছাড়িয়ে যেতে পারেন। দ্বিতীয়ত, তিনি যদি ফাইনালে দুটি গোল করার পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্ট করতে পারতেন, তবে গোলসংখ্যা সমান হলেও অ্যাসিস্টের মারপ্যাঁচে ফরাসি ফরোয়ার্ডকে টপকে ট্রফিটি নিজের করতে পারতেন। কিন্তু স্প্যানিশ রক্ষণের কড়া পাহারায় মেসি নিষ্ক্রিয় থাকায় কোনো সমীকরণই মেলেনি, ফলে অনায়াসেই ইতিহাস গড়ে গোল্ডেন বুট নিশ্চিত হয় এমবাপের।


এ সম্পর্কিত আরো খবর