ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২ কমলা হ্যারিসের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশের চেষ্টা, পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার রাজধানীতে সকালের বৃষ্টিতে সড়কে ভোগান্তি, ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস ইয়েমেনে ফের তীব্র সংঘাত, ১২৯টি হামলার দাবি হুথিদের

বিশ্বজয়ের ট্রফি হাতে মা, প্রেমিকা ও ছোট ভাইয়ের সঙ্গে ইয়ামাল


  • আপলোড সময় : সোমবার ২০ জুলাই, ২০২৬ সময় : ১:০৯ পিএম

স্পেনের ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ জয়ের বর্ণিল উচ্ছ্বাসে লাল-হলুদ রঙে ছেয়ে গেছে মেটলাইফ স্টেডিয়াম। দীর্ঘ ১৬ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার অনাবিল আনন্দে যখন মাঠের ভেতর সতীর্থদের সঙ্গে বাঁধভাঙা উদযাপনে মেতে উঠেছে পুরো দল, তখন ১৯ বছর বয়সী তরুণ উইঙ্গার লামিন ইয়ামালের চোখ যেন সবুজ গালিচায় খুঁজছিল অন্য কাউকে। সোনালী শিরোপা হাতে নিয়েই সতীর্থদের ছেড়ে তিনি আচমকা ছুটে যান গ্যালারির একটি নির্দিষ্ট কোণে, যেখানে আগে থেকেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন তাঁর জীবনের সবচেয়ে কাছের মানুষেরা। বিশ্বজয়ের সেই অবিস্মরণীয় আনন্দ পরিবারের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার সেই মুহূর্তটিই হয়ে ওঠে ফাইনালের অন্যতম সেরা এক আবেগঘন দৃশ্য।

ফাইনালে স্পেনের এই শিরোপা উৎসবের মঞ্চে সবচেয়ে আলোচিত ও আকর্ষণীয় মুখ ছিল ইয়ামালের মাত্র তিন বছর বয়সী ছোট ভাই কিয়েন। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে গ্যালারিতে তাঁর নিষ্পাপ হাসি, মিষ্টি খুনসুটি আর গ্যালারি থেকে বড় ভাইকে উৎসাহ দেওয়ার অনিন্দ্য সুন্দর মুহূর্তগুলো ফুটবলপ্রেমীদের মন কেড়েছিল। ফাইনাল ম্যাচ শেষে বড় ভাইয়ের কোলে চড়ে পুরো মাঠ প্রদক্ষিণ করা ছোট্ট কিয়েন নিজেও যেন হয়ে ওঠে স্প্যানিশ শিবিরের এক ক্ষুদে চ্যাম্পিয়ন। অবুঝ হাতে বড় ভাইয়ের বিশ্বকাপ ট্রফি ছুঁয়ে দেখার সেই দুর্লভ মুহূর্তটি ছিল এক নিখাদ পারিবারিক আনন্দের চমৎকার প্রতিচ্ছবি।

ফুটবলের এই রাজকীয় ও দীর্ঘ যাত্রায় ইয়ামালের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ও শক্তির উৎস ছিলেন তাঁর মা শেইলা এবানা। যুক্তরাষ্ট্রের গ্যালারি থেকে প্রতিটি ম্যাচেই মাঠে থাকা ছেলেকে অনবরত উৎসাহ জুগিয়েছেন তিনি। বিশ্বজয়ের মহোৎসবে মেতে উঠে মাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরা ইয়ামালের সেই চেনা হাসি যেন মনে করিয়ে দিচ্ছিল, এই বিশ্বজয়ের পেছনে পরিবারের ত্যাগ কতটা গভীর।

মায়ের পাশেই ট্রফি উদযাপনে শামিল হতে দেখা গেছে ইয়ামালের প্রেমিকা ইনেস গার্সিয়াকে। চলতি বছরের মে মাসে তাঁদের প্রেমের সম্পর্কের খবরটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ্যে আসে। পেশায় ফ্যাশন ও বিউটি ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে পরিচিত ইনেস পুরো বিশ্বকাপজুড়েই স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে স্পেনের প্রতিটি ম্যাচ উপভোগ করেছেন। সাধারণত তারকাদের বান্ধবীরা জমকালো পোশাকে হাজির হলেও, ইনেস স্টেডিয়ামে অত্যন্ত সহজ-সরল ও স্বাভাবিক সাজে হাজির হওয়ায় সমর্থকদের দারুণ প্রশংসাও কুড়িয়েছেন। বিশ্বজয়ের এই ঐতিহাসিক রাতে ইয়ামালের পাশে ট্রফি হাতে দাঁড়িয়ে তিনিও নিজের জীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দী করেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর