গভায় নতুনধারার প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. নূরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এসময় বক্তারা আরো বলেন, সারাদেশে স্বাধীনতা বিরোধী ও তাদের সমর্থকরা একাত্তরের ইতিহাস মুছে দিতে চাইছে। তারই ধারাবাহিকতায় একাত্তরের স্বাধীনতা বিরোধী-যুদ্ধাপরাধীরেকে সংসদে পুর্নবাসিত করার মত ধৃষ্টতা দেখানোর পরও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। এই সুযোগে যেই এই ভূইফোঁর সংগঠন ২৮ জন বরেণ্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ করার পরও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে সমাজের খ্যতিমান অভিনেতা-অভিনেত্রী, সাংবাদিক, সোস্যাল এক্টিভিটিস্টি ও রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া স্বাধীনতা-ধর্ম-মানবতা বিরোধীদের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে। যা সমাজে বাক স্বাধীনতা হরণের উদাহরণ হিসেবে ব্যাপক প্রভাব তৈরি করছে।
যে জুলাইর কারণে যুদ্ধাপরাধীরা সংসদ সদস্য হওয়ার পাশাপাশি সারাদেশে স্বাধীনতাযুদ্ধের বিরোধীতা করছে, ছাত্র সমাজকে সহিংস করে তুলছে, মা- বোনকে ধর্ষণের মহা উৎসবে মেতে উঠেছে, সেই জুলাইর ভুল নিয়ে সমালোচনা করা কোনো অপরাধ হতে পারে না। বরং এই অভিযোগ যে বা যারা করেছে, তারা ধর্ম-মানবতা- দেশ-সমাজের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার কারণে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে তদন্তের ভিত্তিতে কঠোর শাস্তি দেয়া উচিৎ।