ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২ কমলা হ্যারিসের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশের চেষ্টা, পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার রাজধানীতে সকালের বৃষ্টিতে সড়কে ভোগান্তি, ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস ইয়েমেনে ফের তীব্র সংঘাত, ১২৯টি হামলার দাবি হুথিদের

বাফুফে ভবনে ড্র, সাফে ভারত-পাকিস্তান এক গ্রুপে


  • আপলোড সময় : শনিবার ০১ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৬:১২ পিএম

আগামী ৪ থেকে ১৭ নভেম্বর বাংলাদেশে বসতে যাচ্ছে পুরুষদের বহুল প্রতিক্ষিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আসর। টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে আজ শনিবার বিকেলে ভুটানের থিম্পুতে অনুষ্ঠিত হয়েছে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রতিযোগিতার গ্রুপ পর্বের ড্র। স্বাগতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ স্থান পেয়েছে ‘এ’ গ্রুপে।

বর্তমানে আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার নিষেধাজ্ঞায় রয়েছে নেপাল। ফলে তাদের বাদ দিয়েই মোট ছয়টি দলকে নিয়ে সাফের প্রাথমিক ড্র সম্পন্ন করা হয়। ঐতিহ্যবাহী চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশ ভারত ও পাকিস্তান একই গ্রুপে পড়েছে। তারা স্থান পেয়েছে ‘বি’ গ্রুপে, যেখানে তাদের অপর শক্তিশালী প্রতিপক্ষ দ্বীপাঞ্চলীয় দেশ মালদ্বীপ। নিয়ম অনুযায়ী, এই গ্রুপের সেরা দুটি দল অর্থাৎ চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দল সরাসরি সেমিফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।

অন্যদিকে, স্বাগতিক বাংলাদেশের ‘এ’ গ্রুপে প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে ভুটান ও শ্রীলঙ্কা। ড্রয়ের নিয়ম অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে যদি নেপাল তাদের ওপর আরোপিত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে উঠতে পারে, তবে তারা সরাসরি স্বাগতিক বাংলাদেশের গ্রুপেই যুক্ত হবে। নেপাল যদি সময়মতো আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফেরার সুযোগ পায়, তবে এই গ্রুপে মোট চার দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবং সেখান থেকেও সেরা দুই দল সেমিফাইনালের টিকেট পাবে। তবে নেপাল যদি নিষেধাজ্ঞামুক্ত হতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তিন দলের গ্রুপ নিয়েই মাঠে গড়াবে প্রতিযোগিতা।

দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল শ্রেষ্ঠত্বের এই মঞ্চে স্বাগতিক বাংলাদেশের ইতিহাস অত্যন্ত স্মৃতিবিজড়িত। লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা সর্বশেষ ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছিল। এরপর দীর্ঘ সময় কাটিয়ে ২০২৩ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত সাফে সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল দল, যা ছিল ২০০৯ সালের পর দীর্ঘ ১৪ বছরের খরা কাটানোর মুহূর্ত। ২০০৯ সালের পর বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে অবশেষে গত আসরে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছিল তারা।

এছাড়া ২০১৮ সালের পর এই প্রথম আবারও দক্ষিণ এশীয় ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই টুর্নামেন্টের আয়োজক হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে চেনা দর্শকদের সমর্থনে এবার ট্রফি জয়ের দীর্ঘ খরা কাটাতে মুখিয়ে আছে স্বাগতিক ফুটবলাররা। সেপ্টেম্বরের মধ্যে নেপালের ভাগ্যে কী ঘটে, সেদিকেও নজর রয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের। চার দলের গ্রুপ হলে প্রতিযোগিতা যেমন জমে উঠবে, তেমনি স্বাগতিক হিসেবে বাংলাদেশের সামনেও থাকছে নতুন চ্যালেঞ্জ। আগামী নভেম্বরে দেশের মাটিতে একটি জমজমাট ফুটবল আসর উপভোগ করার অপেক্ষায় এখন পুরো দেশ।


এ সম্পর্কিত আরো খবর