ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা, আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয় মামলা ফ্যাসিস্টরা স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান সফরে নতুন ৪টি সমঝোতা স্মারক সই পাশাপাশি চার কবরে চিরনিদ্রায় একই পরিবারের চার সদস্য স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬

চলন্ত বাসে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

গাছ ফেলে বাস রোধ, বিকাশ কর্মীদের কুপিয়ে ৫৭ লাখ টাকা ছিনতাই


  • আপলোড সময় : রবিবার ০২ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৬:৪২ পিএম

কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে চলন্ত ‘পালকি’ বাসে এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাত দলের সদস্যরা বিকাশের দুই সেলসম্যানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে তাদের সাথে থাকা নগদ প্রায় ৫৭ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে পালিয়ে গেছে।

রোববার দুপুরে টেকনাফ-কক্সবাজার মহাসড়কের ১৪ নম্বর ব্রিজ সংলগ্ন বেদ বাগান এলাকায় চাঞ্চল্যকর এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

হামলায় আহতরা হলেন—টেকনাফের দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার হাসান আলীর ছেলে আরমান (২৮) এবং সাবরাং কাটাবনিয়া এলাকার মোহাম্মদ সৈয়দের ছেলে একরাম (২৩)। তাঁরা দুজনই বিকাশের সেলসম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

আহত আরমানের চাচা জাফর আলী জানান, ব্যাংক থেকে মোটা অঙ্কের টাকা তোলার পর টেকনাফ থেকে ‘পালকি’ পরিবহনের একটি বাসে করে হ্নীলা এলাকার বিকাশ এজেন্টদের দোকানে পৌঁছে দিতে যাচ্ছিলেন আরমান ও একরাম। পথিমধ্যে টেকনাফ-কক্সবাজার মহাসড়কের ১৪ নম্বর ব্রিজ সংলগ্ন বেদ বাগান এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকেই ওঁৎ পেতে থাকা ডাকাত দল রাস্তার ওপর গাছ ফেলে বাসটির গতিরোধ করে। এরপর কুপিয়ে আহত করে তাদের সাথে থাকা প্রায় ৫৭ লাখ টাকা লুট করে পালিয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসটি থামার সাথে সাথেই দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো চাকুর মুখে ডাকাতরা বাসে উঠে তাণ্ডব চালায়। তারা সরাসরি বিকাশের দুই কর্মীকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। এ সময় আরমান ও একরামকে চাকুর আঘাতে রক্তাক্ত জখম করে সাথে থাকা টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত চম্পট দেয় ডাকাতরা।

ডাকাতির খবর পেয়ে পুলিশ, বিজিবি, কোস্ট গার্ড এবং র‍্যাবের যৌথ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ডাকাতদের ফেলে যাওয়া কিছু আলামত ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। তবে ডাকাত দল দ্রুত পালিয়ে যেতে সক্ষম হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, ডাকাত দলের সদস্যদের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। তবে পুরো ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তার ও লুন্ঠিত টাকা উদ্ধারে যৌথ বাহিনীর চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর