গত জুনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ভবিষ্যতে ইরানের পররাষ্ট্রনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দু বা প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তা ও সাম্প্রতিক বক্তব্যে পেজেশকিয়ান বলেন, "যারা আমাদের প্রতিপক্ষ বা প্রতিদ্বন্দী, তাদের এই সমঝোতা স্মারকের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ ও দায়বদ্ধ থাকতে বাধ্য করতে আমাদের সর্বোচ্চ কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।"
ইরানি প্রেসিডেন্টের মতে, জুনে স্বাক্ষরিত এই সমঝোতা স্মারকটি যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে ইরান, পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল এবং তেহরানের মিত্র দেশগুলোর সামগ্রিক নিরাপত্তা আগের চেয়ে আরও অনেক বেশি সুদৃঢ় ও জোরদার হবে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি নতুন স্থায়ী চুক্তি প্রায় আসন্ন এবং এ বিষয়ে সোমবার থেকেই নতুন করে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হচ্ছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ 'হরমুজ প্রণালি' নিয়ে ইতোমধ্যে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অত্যন্ত আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ইরানের পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ বা পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়েও খুব শীঘ্রই দুই পক্ষ একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে সক্ষম হবে।
এ সময় ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, মধ্যপ্রাচ্যের তিন মধ্যস্থতাকারী দেশ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কাতারের বিশেষ অনুরোধেই তিনি ইরানের ওপর আগে থেকে পরিকল্পিত বিধ্বংসী সামরিক অভিযান বা হামলা বাতিল করেছেন। ঐ দেশগুলো তাকে আলোচনার মাধ্যমে একটি স্থায়ী চুক্তির দিকে এগিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিল বলে জানান তিনি।