ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

১০ মিনিটের আলটিমেটাম

সচিবালয় প্রাঙ্গণে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৬ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৫:০৫ পিএম

দেশে তৈরি হওয়া ভয়াবহ জ্বালানি তেল ও তীব্র গ্যাস সংকট, বিদ্যুতের অন্যায্য 'ভুতুড়ে বিল', ক্রমাগত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অনিয়ন্ত্রিত মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকায় সচিবালয় অভিমুখে এক পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করেছেন ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা। তবে সচিবালয় প্রাঙ্গণে পৌঁছালে পুলিশের কড়া বাধার মুখে পড়েন তাঁরা। এ সময় বাধার সামনে দাঁড়িয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির স্পষ্ট জানান, তাঁরা কোনো বিশৃঙ্খলা বা কাউকে অসম্মান করতে আসেননি, বরং ভোগান্তিতে থাকা আমজনতার মৌলিক দাবিদাওয়া পৌঁছে দিতেই রাজপথে নেমেছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে মিছিলটি সচিবালয়ের মূল ফটকের সামনে এসে পৌঁছালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ব্যারিকেড দিয়ে তাঁদের গতিপথ আটকে দেন।

বাধার মুখে উপস্থিত ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে জামায়াতের আমির বলেন, এই প্রতিবাদী কর্মসূচি কেবল রাজধানীতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং দেশের সব জেলায় একযোগে পালিত হচ্ছে। নিজেদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের অনুসারী দাবি করে তিনি উল্লেখ করেন, জনগণের ভোগান্তির কথা সরকারের নীতি-নির্ধারকদের কান পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে বাধ্য হয়েই তাঁরা সচিবালয়ে এসেছেন।

সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিত্বের তাগিদ দিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা হুঁশিয়ারি দেন যে, মিছিল থামাতে হলে ভেতর থেকে সংশ্লিষ্ট কোনো দায়িত্বশীল মন্ত্রী বা উপযুক্ত প্রতিনিধিকে রাজপথে নেমে এসে স্মারকলিপি ও দাবি গ্রহণ করতে হবে। সরকার এসব দাবি পূরণ করে জনদুর্ভোগ লাঘব করলে তাঁকে সাধুবাদ জানানো হবে; কিন্তু যদি ব্যর্থ হয় তবে বিরোধীরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে কঠোর থেকে কঠোরতর আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

সমাবেশ থেকে সরকারকে দাবি মেনে নিতে ১০ মিনিটের আলটিমেটাম প্রদান করা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারি প্রতিনিধির অনুপস্থিতিতে পরবর্তী কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার কথা জানান তিনি। উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি তাঁদের মাধ্যমেই সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলে জনগণের ক্ষোভ ও দাবিসমূহ দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ দেন। ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা এবং অঙ্গসংগঠনের হাজারো কর্মী এই পদযাত্রা কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর