ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

কাদের-সাদ্দামসহ আওয়ামী লীগের ৭ শীর্ষ নেতার সর্বোচ্চ শাস্তি চাইল প্রসিকিউশন


  • আপলোড সময় : বুধবার ১২ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৫:১৯ পিএম

আদালত প্রতিবেদক:

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং ছাত্রলীগ-যুবলীগের শীর্ষ নেতাসহ সাত আসামির সর্বোচ্চ সাজা দাবি করে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেছে প্রসিকিউশন।


বুধবার (১২ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে এই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আর্জি জানানো হয়। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।


আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘এই মামলার সাত আসামির প্রত্যেকের অপরাধই অত্যন্ত গুরুতর। চব্বিশের জুলাই-আগস্টে দেশজুড়ে সংঘটিত ব্যাপক হত্যা ও প্রাণহানির পেছনে তাদের প্রত্যক্ষ প্ররোচনা ও পরিকল্পনা ছিল। রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে আনা চারটি অভিযোগই সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন দেশে কোনো অপরাধী রাজনীতিবিদ জন্ম নিতে না পারে, সেজন্য আসামিদের বিন্দুমাত্র অনুকম্পা না দেখিয়ে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া আবশ্যক।’


ষষ্ঠ কার্যদিবসের যুক্তিতর্কে প্রথমে আইনি বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। এরপর বক্তব্য শেষ করেন চিফ প্রসিকিউটর। প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক শেষে পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত (স্ট্যাট ডিফেন্স) আইনজীবী এম হাসান ইমাম তাঁর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করেন। ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর আবদুস সোবহান তরফদার, ফারুক আহাম্মদ, সহিদুল ইসলাম সরদার, মঈনুল করিম ও তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর উপস্থিত ছিলেন।


মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৪ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া যুক্তিতর্কে আন্দোলন দমনে আসামিদের উসকানিমূলক বক্তব্য, রাজপথে নেতাকর্মীদের নামিয়ে সহিংস প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান, গোপন বৈঠকের পরিকল্পনা এবং একাধিক ফোনালাপের অডিও-ভিডিও প্রমাণ হিসেবে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়।


ম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন خان নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। অভিযুক্ত এই সাতজনই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।


উল্লেখ্য, গত ২ আগস্ট এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া সমাপ্ত হয়। এর আগে, চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর