ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬,  ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারত থেকে আমদানি করা চালে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান, বিতরণ স্থগিত জাপানে ফ্লাইটে ত্রুটির ঘটনায় বিমানের উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন চাকরির বহাল তবিয়তে ওকালতি! বিপাকে সরাইল থানার ওসি রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন নারিতায় বিমানে ত্রুটি: সফরসঙ্গীদের নিয়েই দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তাহসিফ হত্যা রহস্য: জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বন্ধু দ্বীপকে হেফাজতে নিল পিবিআই সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর পাঁচজনের মরদেহ আসছে শনিবার বরগুনার ডাকবাংলোর ৩ মরদেহ উদ্ধার: চাঞ্চল্যকর রহস্য উদ্ঘাটন ৫০ গজ দূর থেকে বাইক উদ্ধার, বন্ধু দ্বীপকে জেরা করছে পিবিআই স্পিন ঘূর্ণিতে ক্যারিবীয়দের গুঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড, রেকর্ড নাঈমের

গণভবনে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর: শাখা হিসেবে যুক্ত হচ্ছে অতীতের সব গোপন কারাগার


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৩:২৪ পিএম

রাজধানীর গণভবনে প্রতিষ্ঠিত চব্বিশের ঐতিহাসিক স্মৃতি বিজড়িত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এর কোনো স্থাবর নিদর্শন ধ্বংস, বিনষ্ট, পরিবর্তন বা ক্ষতিসাধন করলে অপরাধীর সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার কঠোর আইনি বিধান রাখা হয়েছে। অন্যদিকে জাদুঘরের কোনো অস্থাবর নিদর্শন চুরি, পাচার, ধ্বংস বা ক্ষতিসাধন করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার সুযোগ রয়েছে।


‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আইন, ২০২৬’-এ কঠোর শাস্তি ও পরিচালনার এই বিধানসমূহ স্পষ্টভাবে যুক্ত করা হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক স্মৃতি, নিদর্শন ও দলিলাদি সংরক্ষণ ও গবেষণার লক্ষ্যে গত ১০ এপ্রিল আইনটি প্রণীত হয়। গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ঐতিহাসিক এই জাদুঘরের উদ্বোধন করেন এবং পরদিন থেকে তা সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।


আইনের ৪ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, জাদুঘরের প্রধান কার্যালয় থাকবে ঢাকার গণভবনে। এ ছাড়া ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত ফ্যাসিস্ট সরকারের শাসনামলে যেসকল গোপন কারাগারে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, সেগুলো অনুসন্ধান সাপেক্ষে এই জাদুঘরের শাখা জাদুঘর হিসেবে ঘোষণা ও পরিচালনা করা হবে। ৫ ও ১৫ ধারা অনুযায়ী, অভ্যুত্থানের পাশাপাশি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, এবং ফ্যাসিবাদের উত্থান-পতনের নথিপত্র অনুসন্ধান, সংগ্রহ ও প্রদর্শন করবে এই প্রতিষ্ঠান।


আইনের বিভিন্ন ধারায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে অভ্যুত্থানের গোপন কোনো নিদর্শন থাকলে তা মহাপরিচালক পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। নিদর্শনের গায়ে কোনো কিছু খোদাই বা খসড়া করলে সর্বোচ্চ এক বছরের জেল ও ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব অপরাধে জড়ালে ফৌজদারি শাস্তির পাশাপাশি বিভাগীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের শাস্তির মুখে পড়বেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর