ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

ব্রিকস সম্মেলন হতে অনেক দেরি, এক মাসে অনেক কিছু হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৪:৩৯ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণের সম্ভাবনার বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, "ব্রিকস সম্মেলন হতে এখনো অনেক দেরি রয়েছে। আগামী এক মাসে অনেক পরিবর্তন ও নতুন ঘটনাবলি ঘটতে পারে।" আজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।

শামা ওবায়েদ জানান, বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরে সরকারের একাধিক জরুরি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাজ চলছে। তিনি বলেন, "সামনে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন রয়েছে, এর পাশাপাশি নতুন সংসদ অধিবেশন বসবে। এসব বিষয়ে আমাদের অভ্যন্তরীণ অনেক রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক কর্মসূচি ও কাজ চলমান রয়েছে। রাষ্ট্রীয় এসব গুরুত্বপূর্ণ কাজে প্রধানমন্ত্রীসহ পুরো সরকারই বেশ ব্যস্ত সময় পার করছে।"

তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, ব্রিকস সম্মেলনসহ সম্ভাব্য সব আন্তর্জাতিক সফরের বিষয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পূর্ণ ইতিবাচক। তবে এসব বিদেশি সফর নির্ভর করবে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সময়সূচি এবং দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক আলোচনার অগ্রগতির ওপর। সবকিছু অনুকূলে থাকলে ভারত ও জাপান সফরসহ পূর্বনির্ধারিত দ্বিপক্ষীয় সফরগুলো অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সম্ভাবনা ও চলমান টানাপোড়েন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব যখন মুখোমুখি দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় বসেন, তখন অনেক জটিল ও দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সমস্যার সমাধান সম্ভব হয়।

প্রতিমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, "দ্বিপক্ষীয় আলোচনার সেই সুযোগ ও পথ উন্মুক্ত রয়েছে। ভারতের উচিত এই সুযোগের সঠিক ব্যবহার করা। আমরা আগেই জানিয়েছি, গণঅভ্যুত্থানে অভিযুক্ত একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি যখন ভারতের মাটিতে বসে রাজনৈতিক মন্তব্য করেন, তা বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ কোনোভাবেই ইতিবাচক হিসেবে গ্রহণ করে না।"

তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ও শহীদের রক্তের দাগ এখনো মানুষের মনে তাজা। ফলে এই সংবেদনশীল বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষকেই দায়িত্বশীল হতে হবে। শীর্ষ পর্যায়ে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী যখন বৈঠকে বসবেন, তখন যেকোনো কঠিন সমস্যার কূটনৈতিক সমাধান আসবে বলে আমরা বিশ্বাস করি এবং ভারতের পক্ষ থেকেও সেই সদিচ্ছা প্রত্যাশিত।"

আসন্ন সফরসূচি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিষয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, "এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট সফর চূড়ান্ত বা ফাইনাল করা হয়নি। রাষ্ট্রীয় নানা ব্যস্ততা সামলে উভয় দেশের কূটনৈতিক আলোচনার ভিত্তিতেই সময় ও তারিখ নির্ধারণ করা হবে।"



এ সম্পর্কিত আরো খবর