বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে জাতীয় সংসদ ভবনের বিশেষ অধিবেশনে সরাসরি ভোটগ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নির্বাচনে যে প্রার্থী সর্বোচ্চ ভোট পাবেন, তাঁর নাম জাতীয় সংসদেই তাৎক্ষণিকভাবে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচনী কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের অধিবেশনকক্ষে রাষ্ট্রপতি পদে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটগ্রহণ শুরুর সময় প্রারম্ভিক বক্তব্যে তিনি এই ঘোষণা দেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, ভোট প্রদান এবং তা গণনার সময় পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখার স্বার্থে সংসদ সদস্যরা উপস্থিত থাকতে পারবেন। একই সঙ্গে নির্বাচন সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে তিনি উপস্থিত সকল সংসদ সদস্যের পূর্ণ সহযোগিতা কামনা করেন।
স্বাগত বক্তব্যে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যরা তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করছেন। এবারের নির্বাচনে প্রধান দুটি দলীয় জোটের পক্ষে দুজন প্রার্থী একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।’
ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ব্যালট ব্যবহারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিশদ ব্যাখ্যা দিয়ে সিইসি বলেন, ‘সংসদ সদস্যরা প্রথমে ব্যালটের মুড়ি অংশে নিজ পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর প্রদান করে ব্যালট পেপার গ্রহণ করবেন। ব্যালট পেপার হাতে পাওয়ার পর তাতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম যথাযথভাবে মুদ্রিত রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হয়ে নেবেন।’
তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে, বিকেল পাঁচটায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর উপস্থিত সকলের সামনেই গণনা প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থীর নাম সংসদ অধিবেশনেই সবার সামনে তুলে ধরা হবে।