ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৬ বাংলাদেশির মরদেহ আজ দেশে আনা হচ্ছে


  • আপলোড সময় : শনিবার ২২ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ১১:১৫ এএম

ভারতের কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার 'শিখা ইন' হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাণ হারানো সাতজন বাংলাদেশি নাগরিকের মধ্যে ছয়জনের মরদেহ শনিবার প্রয়োজনীয় সব আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শেষে দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও সার্বিক উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে নিরাপদে হস্তান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।


অন্যদিকে, নিহতদের মধ্যে থাকা রেবতী সরকার নামে অপর এক বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহ তাঁর পরিবারের সরাসরি আবেদনের প্রেক্ষিতে কলকাতাতেই সৎকারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।


বাংলাদেশ উপহাইকমিশন থেকে জানা গেছে, মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশি নাগরিকদের মরদেহ হিমঘরে সংরক্ষণ করা থেকে শুরু করে দেশে পাঠানোর সার্বিক খরচ তারা সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে বহন করছে। এই লক্ষ্যেই শুক্রবার রাতে মরদেহগুলো কলকাতার পার্ক সার্কাস এলাকার 'পিস ওয়ার্ল্ড' হিমাগারে সতর্কতার সাথে সংরক্ষণ করা হয়।


এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে ময়নাতদন্তের কার্যক্রম শেষ হয়। এরপর কুষ্টিয়ার দেবাশীষ দত্ত, আফসানা শারমীন, তাঁদের শিশুসন্তান শর্ণশীষ দত্ত এবং মো. আকরাম আলীর মরদেহ আনুষ্ঠানিকভাবে পরিবার ও স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। একই সাথে ঢাকার সাভারের অধিবাসী আহামেদ বাবু এবং সাতক্ষীরার বাসিন্দা এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহও প্রয়োজনীয় ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের নিকট হস্তান্তরিত হয়।


মরদেহগুলো বুঝে পাওয়ার পর পরিবারের প্রতিনিধিরা তাৎক্ষণিকভাবে কলকাতার বাংলাদেশ ডেপুটি কমার্শিয়াল ও ডিপ্লোম্যাটিক মিশনে পৌঁছান। পরবর্তীতে শুক্রবার গভীর রাতেই বাংলাদেশ মিশন এবং ভারতের ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র বা 'নো অবজেকশন সার্টিফিকেট' (এনওসি) ইস্যু করা হয়।


উপহাইকমিশনের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, পোস্টমর্টেম ও সরকারি অনুমতিপত্র সংগ্রহের মতো জটিল প্রশাসনিক প্রক্রিয়াগুলো অত্যন্ত দ্রুততার সাথে শেষ করা হয়েছে, যাতে স্বজনরা যত দ্রুত সম্ভব তাঁদের প্রিয়জনদের মরদেহ বাংলাদেশে নিয়ে গিয়ে শেষকৃত্য ও দাফনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সম্পন্ন করতে পারেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর