ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬,  ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: বিপুল ভোটে জয়ী বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ১৪ বছর পর পর্দায় ফিরেই তোলপাড়, দেব-শুভশ্রীর রসায়নে নতুন গুঞ্জন টলিপাড়ায় চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে আসা ৪৯৪ কোটি টাকার তামাক আটক পাকিস্তানে অ্যাম্বুলেন্সে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ নিহত ৯ সখীপুরে মাটির নিচে মিলল দুটি বাক্স, উদ্ধার রকেট লঞ্চারসদৃশ ১২ বস্তু মদ ও সিগারেটের প্রলোভনে কিশোরকে বারবার যৌন নির্যাতন আমরা অবশ্যই এই ভোট নিয়ে সন্তুষ্ট: ইসি সচিব আখতার আহমেদ আন্দোলনে সহিংসতায় জড়ালে মিলবে না সরকারি চাকরি: ভারতের নতুন নীতি হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্পাই ড্রোন’ আটক করল ইরান এআই দেখে বিষাক্ত মদ তৈরি: ভারতে ১৩ জনের মৃত্যু

বিকেলে সর্বোচ্চ ২৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের শঙ্কা, চরম ভোগান্তি রাতেও


  • আপলোড সময় : শনিবার ২৯ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ৪:১৩ পিএম

দেশে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের অভাব এবং উৎপাদন ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎ সংকট ফের তীব্র আকার ধারণ করেছে। শনিবার (২৯ আগস্ট ২০২৬) বিকেলে সারা দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হতে পারে বলে তীব্র শঙ্কা দেখা দিয়েছে। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণ করে বিদ্যুৎ খাতে ঘাটতির এই আশঙ্কাজনক চিত্র পাওয়া গেছে।


পিজিসিবির প্রাক্কলন ও উপাত্ত অনুযায়ী, শনিবার দিনগত সকাল থেকেই বিদ্যুতের ঘাটতি ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। এদিন সকাল ১০টায় ১ হাজার ৩ মেগাওয়াট এবং দুপুর ১২টায় ১ হাজার ২০৩ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের মুখে পড়ে দেশ। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিকেলের দিকে বিদ্যুতের ঘাটতির পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে শুরু করে। দুপুর ২টায় লোডশেডিং ১ হাজার ৪৭১ মেগাওয়াটে পৌঁছানোর পর বিকেল ৩টায় তা লাফিয়ে বেড়ে ২ হাজার ৪৮৩ মেগাওয়াট এবং ৪টায় ২ হাজার ৫৯৩ মেগাওয়াটে গিয়ে দাঁড়ায়।


পিজিসিবির পূর্বাভাস অনুযায়ী, বিকেল ৫টার দিকে দেশজুড়ে বিদ্যুতের এই ঘাটতি ও লোডশেডিং পিক আওয়ারে সর্বকালের অন্যতম সর্বোচ্চ পর্যায়ে অর্থাৎ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াটে পৌঁছাবে।


বিকেলের চরম সংকটের পর সন্ধ্যার দিকে সাময়িকভাবে লোডশেডিং কিছুটা কমলেও রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবারও গ্রাহক ভোগান্তি চরমে পৌঁছাবে। প্রাক্কলন অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৬টায় ২ হাজার ২১৬ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ১ হাজার ৫২৮ মেগাওয়াট লোডশেডিং হলেও সন্ধ্যা ৭টায় তা একলাফে বেড়ে ২ হাজার ৭৭০ মেগাওয়াটে দাঁড়াতে পারে। পরবর্তী সময়ে রাত ৮টায় ২ হাজার ৫৫০ মেগাওয়াট এবং রাত ৯টায় ২ হাজার ৭০৩ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস নিশ্চিত করা হয়েছে।


পিজিসিবির সার্বিক উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা যায়, শনিবার রাত ৯টার দিকে দেশে বিদ্যুতের সর্বমোট জাতীয় চাহিদা দাঁড়িয়েছে সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ৭৩০ মেগাওয়াটে। কিন্তু চাহিদার বিপরীতে ওই সময়ে সম্ভাব্য বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ধরা হয়েছে মাত্র ১৫ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট, যা বিরাট ঘাটতি নির্দেশ করে। অন্যদিকে রাত ১০টায় ১৭ হাজার ৯৭০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট এবং লোডশেডিংয়ের সম্ভাব্য পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ১৬৮ মেগাওয়াট। গত কয়েকদিন ধরেই দেশজুড়ে এই ধরণের বড় মাপের বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে সাধারণ মানুষ ও শিল্প উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর