ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬,  ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেন্টাগন প্রধান পিট হেগসেথকে শীর্ষ জেনারেলদের সতর্কবার্তা রাজধানীতে ডিএমপির অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪১৬, গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধার নতুন পে-স্কেল: মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠছে খসড়া, বৃহস্পতিবারই প্রজ্ঞাপন জারির সম্ভাবনা ট্রাম্পের দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসায় বিশেষ দূত সার্জিও গর লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার পরই জর্ডানে ২ আমেরিকান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা আমেরিকান জনমতে রেকর্ড পতনে ট্রাম্প, ইসরায়েলেও তোপের মুখে নেতানিয়াহু মাগুরায় শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় হাইকোর্টের রায় আজ কটিয়াদীতে সিএনজি ও কাভার্ড ভ্যানের সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৩, আহত ৪ ডেঙ্গুতে এক দিনে আক্রান্ত ১০৯৭ ও ৩ জনের মৃত্যু মন্ট্রিলের বিপক্ষে মেসির ৪ গোল, মুগ্ধ সতীর্থ কাসেমিরো

নিখোঁজ আড়াই হাজার

নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪


  • আপলোড সময় : রবিবার ৩০ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ১১:১১ এএম

নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে ৭৩৪ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া এখনো নিখোঁজ আছেন আরও ২ হাজার ৪৯৮ জন। রোববার সকালে দেশটির সরকার সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে এ ভয়াবহ পরিসংখ্যানে কথা নিশ্চিত করেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, নিখোঁজের প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে আরও অনেক বেশি।

 

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন এবং ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত উদ্ধারকারীরা বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা থেকে ৭৩৪টি মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, চিত্তওয়ানে সর্বোচ্চ ২৫৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া পূর্ব নাওয়ালপারাসিতে ১৮৪টি এবং পশ্চিম নাওয়ালপারাসিতে ৮২টি মরদেহ পাওয়া গেছে। অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মধ্যে গোর্খায় ৫৮টি, নুয়াকোটে ৫২টি, ধাদিংয়ে ৫০টি, তানাহুনে ৩৬টি এবং রাসুয়া থেকে ১৩টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

 

বন্যার পানির ভয়াবহ তীব্রতা প্রকাশ পেয়েছে পানির তোড়ে ভেসে যাওয়া মরদেহগুলোর অবস্থান দেখে। মূল আকস্মিক বন্যাটি আঘাত হেনেছিল রাসুয়া জেলায়। তবে এর প্রবল স্রোত এতটাই শক্তিশালী ছিল যে বহু মরদেহ ভাসতে ভাসতে সেখান থেকে কয়েকশ মাইল দূরে চলে যায়।

 

দুর্গত এলাকায় অব্যাহত রয়েছে উদ্ধার তৎপরতা। এখন পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকা থেকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে ৮ হাজার ১৮৬ জনকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দুর্গম ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জীবিতদের উদ্ধারে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে হেলিকপ্টার। বন্যার তীব্র ধ্বংসলীলায় কিছু কিছু অঞ্চল এতটাই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যে দুর্যোগের চার দিন পার হলেও সেখানে পায়ে হেঁটে বা যানবাহনে করে পৌঁছানো উদ্ধারকারীদের পক্ষে সম্ভব হয়নি। ফলে সেসব স্থানে কেবল আকাশপথে হেলিকপ্টারের মাধ্যমেই উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।

 

এদিকে এক বিবৃতিতে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ জানান, এখন পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া শত শত মরদেহের মধ্যে মাত্র ২০টি শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। মর্গে আর নতুন কোনো মরদেহ রাখার স্থান নেই এবং সেগুলো সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত ফ্রিজারও বিদ্যমান নেই। ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে অপর শনাক্তকৃত মরদেহগুলো সমাহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে ভবিষ্যতে আত্মীয়-স্বজনরা যাতে প্রিয়জনকে শনাক্ত করতে পারেন, সেজন্য সমাহিত করার আগেই সব মরদেহ থেকে প্রয়োজনীয় ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

(সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট)

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর