ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২ কমলা হ্যারিসের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশের চেষ্টা, পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার রাজধানীতে সকালের বৃষ্টিতে সড়কে ভোগান্তি, ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৯:৩০ এএম

অনলাইন রিপোর্টার

আজ ৩ সেপ্টেম্বর, প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৯তম ঐতিহাসিক কারামুক্তি দিবস। ২০০৮ সালের এই দিনে দীর্ঘ কারাবাস ও নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে তৎকালীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (যা তৎকালীন পিজি হাসপাতাল নামে পরিচিত ছিল) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি কারামুক্ত হন। এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রতি বছর বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা দলীয় প্রধানের কারামুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।

 

ঐতিহাসিক ঘটনার পটভূমি পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, ২০০৭ সালের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার প্রেক্ষাপটে ক্ষমতা গ্রহণ করা সেনা সমর্থিত তথাকথিত 'ওয়ান-ইলেভেন' সরকারের সময় ৭ মার্চ ভোররাতে ধানমন্ডির বাসা থেকে আটক করা হয় বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমানকে। আটকের পর তাকে টানা ৫৫৪ দিন কারাবন্দি থাকতে হয়েছিল। কারাবাসকালীন সময়ে নানা রাজনৈতিক ঘটনা প্রবাহের পাশাপাশি চিকিৎসাধীন অবস্থায় দীর্ঘদিন তিনি পটুয়াখালী ও ঢাকার বিভিন্ন কারাগারে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

 

রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ এবং আটককালীন সময়ে তার ওপর পরিচালিত অমানবিক নির্যাতনের কারণে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। নিষ্ঠুর ও অমানুষিক নির্যাতনের প্রভাবে তার মেরুদণ্ড ভেঙে যায় এবং শারীরিকভাবে তিনি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। একপর্যায়ে তার শারীরিক অবস্থার চরম অবক্ষয় ঘটলে এবং জীবন আশঙ্কাজনক ও মুমূর্ষু অবস্থায় উপনীত হলে তাকে দ্রুত রাজধানীর তৎকালীন পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনি সার্বক্ষণিক চিকিৎসকদের অধীনে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

 

দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর তার বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল মামলায় পর্যায়ক্রমে উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভ করেন তারেক রহমান। সব মামলায় জামিনের আদেশ কার্যকর হওয়ার পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই কারামুক্ত হন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মুক্ত হওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দেশেই তার পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছিল না।

 

পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের স্পষ্ট নির্দেশনায় ও চিকিৎসকদের জরুরি পরামর্শে উন্নত ও সুচিকিৎসার উদ্দেশ্যে তাকে বিদেশের মাটিতে লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সময় তার সফরসঙ্গী হিসেবে সঙ্গে যান তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং একমাত্র কন্যা জাইমা রহমান। এর মাধ্যমেই শুরু হয় তারেক রহমানের দীর্ঘ প্রবাস ও চিকিৎসার অধ্যায়, যা পরবর্তীতে দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তৈরি করে।

 

আজকের এই ঐতিহাসিক দিনে বিএনপির কেন্দ্র থেকে শুরু করে জেলা, উপজেলা ও তৃণমূল পর্যায়ের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা অত্যন্ত আবেগ ও মর্যাদার সাথে দিনটি উদযাপন করছেন। দিবসটি উপলক্ষে বিএনপি ও এর সকল রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা নানা কর্মসূচির আয়োজন করে থাকে। দলটির নেতাকর্মীরা তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং দেশের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা ও আলোচনা সভার আয়োজন করে থাকে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর