ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২ কমলা হ্যারিসের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশের চেষ্টা, পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার

জেরেমি করবিনসহ ১২ ব্রিটিশ এমপির ইসরায়েলে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা!


  • আপলোড সময় : বুধবার ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ১০:৩৫ এএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের ওপর যুক্তরাজ্যের নেওয়া বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার জবাবে এবার পাল্টাধাওয়া নীতি গ্রহণ করেছে ইসরায়েল। যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির সংসদ সদস্যসহ অন্তত ১২ জন ব্রিটিশ আইনপ্রণেতার ওপর ইসরায়েলে প্রবেশে পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তেল আবিব। একই সঙ্গে দেশটির কড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিওন সার যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক ও সামরিক সহায়তা কার্যক্রমে বড় ধরণের বিধিনিষেধের ঘোষণা দিয়েছেন।

 

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বিস্ফোরক অভিযোগ করে জানান, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি উগ্র বসতি স্থাপনকারীরা ‘জাতিগত নিধন’ চালাচ্ছে এবং ইসরায়েল সরকার তা দেখেও নিরব ভূমিকা পালন করছে। এরপরই পশ্চিম তীরের উৎপাদিত পণ্য যুক্তরাজ্যে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেন মিলিব্যান্ড।

 

এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিওন সার মিলিব্যান্ডের বক্তব্যকে ‘অত্যন্ত আপত্তিকর মিথ্যাচার’ হিসেবে আখ্যা দেন এবং এই ১২ জন ব্রিটিশ এমপির বিরুদ্ধে ইহুদিবিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ এনে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেন। নিষিদ্ধ ঘোষিত এমপিদের তালিকায় রয়েছেন জেরেমি করবিন, জারা সুলতানা, ফাহাদ আনসারি, নাজ শাহ, ডায়ান অ্যাবট, হান্নাহ স্পেনসার, কার্লা ডেনিয়ার, সিয়ান বেরি, এলি চাওনস, জন ম্যাকডোনেল, রিচার্ড বারগন ও অ্যাড্রিয়ান রামসে।

 

প্রবেশ নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি জেরুজালেমে অবস্থিত ব্রিটিশ কনস্যুলেট অফিস বন্ধ করে দেওয়া, কিরিয়াত গাতের গাজা সাপোর্ট সেন্টার থেকে ব্রিটিশ প্রতিনিধিদের প্রত্যাহার এবং জুডিয়া ও সামারিয়ায় ফিলিস্তিনি বাহিনীকে দেওয়া প্রশিক্ষণ কর্মসূচি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে করে দুই দেশের কয়েক দশকের কূটনৈতিক সম্পর্কে এক অভূতপূর্ব ধস সৃষ্টি হলো।


এ সম্পর্কিত আরো খবর