ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একদিনে ডেঙ্গুতে আরও ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৪৮৪ গুলশানসহ ঢাকার সব লেকের দূষণ রোধে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশ সার্টিফিকেটনির্ভর শিক্ষা থেকে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় যেতে হবে: হাবিব সন্ত্রাস দমনে সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর বিশাল অভিযান আগামী জুনের আগেই শেষ হবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ইসি নবম পে স্কেল চূড়ান্ত ধাপে: প্রজ্ঞাপনের খসড়া আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ে প্রাইজবন্ড থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন সঞ্চয়কারীরা, এক বছরে বিক্রি কমল ২১% সর্বজনীন পেনশনে বড় পরিবর্তন: নমিনির বয়সের নতুন সীমা ৮০ বছর আগুনে সর্বস্ব হারাল সিংড়ার ইসমাইলের পরিবার মক্কায় ড্রোন হামলা: 'প্রতিরক্ষা চুক্তি' সক্রিয় করতে চায় পাকিস্তান

মক্কায় ড্রোন হামলা: 'প্রতিরক্ষা চুক্তি' সক্রিয় করতে চায় পাকিস্তান


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৪:৩১ পিএম

ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে পবিত্র শহর মক্কায় ড্রোন হামলার ঘটনায় সৌদির সুরক্ষায় গঠিত ঐতিহাসিক 'মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি' কার্যকর করার সময় এসেছে বলে মনে করছে পাকিস্তান। চুক্তিভুক্ত মিত্র হিসেবে নিজেদের সামরিক ও কূটনৈতিক দায়িত্ব পালনে ইসলামাবাদ সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছে। গত বুধবার পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম জিও নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ সংক্রান্ত কৌশলগত অবস্থানের কথা নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহম্মদ আসিফ।


সাক্ষাৎকারে প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহম্মদ আসিফ বলেন, মক্কা চুক্তির অংশীদার হিসেবে পাকিস্তান তার আন্তর্জাতিক ও ধর্মীয় প্রতিশ্রুতি রক্ষায় অনড়। সরাসরি পবিত্র মক্কা নগরীকে লক্ষ্যবস্তু করায় এই প্রতিরক্ষা চুক্তিটি অবিলম্বে সক্রিয় করা প্রয়োজন বলে তারা মনে করছেন। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের কঠোর সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি আরও জানান, পরবর্তীতে যদি আবারও মক্কায় আক্রমণের চেষ্টা চালানো হয়, তবে চুক্তি বাস্তবায়নে পাকিস্তান বিন্দুমাত্র বিলম্ব করবে না। পবিত্র ধর্মীয় স্থাপনা ও ভূমির সার্বিক নিরাপত্তা বিধান করাকে পাকিস্তান অত্যন্ত পবিত্র দায়িত্ব মনে করে।


এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিস্ফোরকবোঝাই একটি ড্রোন মক্কা অভিমুখে ধেয়ে এলে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। তবে কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার পূর্বেই ড্রোনটি শনাক্ত করে আকাশেই সেটি ধ্বংস করে দেয় সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা বাহিনী। উক্ত ড্রোন হামলার জন্য ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি বাহিনীকে সরাসরি দায়ী করে কড়া বার্তা দেয় রিয়াদ।


তবে সৌদি আরবের এমন মারাত্মক অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হুথি বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি। তিনি দাবি করেন, তাদের সব সামরিক অভিযানের মূল নিশানা কেবল সৌদি আরবের জ্বালানি সম্পদ ও সামরিক ঘাঁটিসমূহ। কোনো ধর্মীয় বা পবিত্র স্থানকে তারা কখনোই লক্ষ্যবস্তু বানান না। তা সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও পবিত্র স্থানের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণে পাকিস্তানের এই সম্ভাব্য কঠোর পদক্ষেপ বৈশ্বিক রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর