ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬ দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৯৮২ জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি

সৌদি ঘাঁটিতে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইতালির যুদ্ধবিমান


  • আপলোড সময় : শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৬:১৮ পিএম

আকাশজমিন ডেস্ক 

সৌদি আরবের তায়েফ বিমানঘাঁটিতে ধারাবাহিক হামলার সময় ইতালির একটি যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে ওই ঘাঁটিতে দায়িত্ব পালনরত কোনো ইতালীয় সামরিক সদস্য হতাহত হননি। একই সঙ্গে তাদের ব্যবহৃত অন্য কোনো যানবাহন বা অবকাঠামোরও ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছেন ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোসেত্তো।


শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে গুইদো ক্রোসেত্তো সৌদি আরবের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, তায়েফ বিমানঘাঁটিতে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘাঁটিতে ইতালীয় সামরিক সদস্যরা ‘অপারেশন ইনহেরেন্ট রিজলভ’-এর অংশ হিসেবে অবস্থান করছেন।


ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, হামলার সময় ইতালির একটি এফ-২০০০ যুদ্ধবিমান আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। বিমানটি তখন ঘাঁটির একটি অপেক্ষাকৃত দূরবর্তী এলাকায় রাখা ছিল। তবে হামলায় সেখানে অবস্থানরত ইতালীয় সামরিক সদস্যদের কোনো ক্ষতি হয়নি।


গুইদো ক্রোসেত্তোর ভাষ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত যুদ্ধবিমানটি ছাড়া ইতালীয় সামরিক সদস্যদের ব্যবহৃত অন্য কোনো যানবাহন বা অবকাঠামোতে হামলার প্রভাব পড়েনি। তিনি পরিস্থিতির আরও বিস্তারিত মূল্যায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।


তিনি বলেন, সৌদি আরবের পরিস্থিতি ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সেখানে দায়িত্ব পালনরত ইতালীয় সামরিক সদস্যদের বর্তমান অবস্থা এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী সম্ভাব্য পরবর্তী কার্যক্রম সম্পর্কেও তথ্য চাওয়া হয়েছে।


ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও জানান, সামরিক সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা আগেই গ্রহণ করা হয়েছিল। ফলে হামলার পরও তাদের সুরক্ষায় বিদ্যমান নিরাপত্তাব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে বলে তাকে আশ্বস্ত করা হয়েছে।


গুইদো ক্রোসেত্তো বলেন, ইতালীয় কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। তাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে সেখানে দায়িত্ব পালনরত সামরিক সদস্যদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া।


এদিকে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা বেড়েছে। এসব হামলার জন্য হুতিদের দায়ী করা হচ্ছে। আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই একের পর এক হামলার ঘটনায় উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।


এর পাশাপাশি ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে সংঘাতও সাম্প্রতিক সময়ে তীব্র হয়েছে। জুলাইয়ের শুরু থেকে দুই পক্ষের মধ্যে লড়াই আরও বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


এই সংঘাতের কারণে ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে চলা তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতিও ফের অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। ওই সময় জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইয়েমেনে দীর্ঘ সময় ধরে বড় ধরনের সংঘাত অনেকটাই কমে এসেছিল।


তবে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে সংঘর্ষ বাড়ায় ইয়েমেন ও এর আশপাশের অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আবারও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সৌদি আরবের সামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলার ঘটনাও সেই আঞ্চলিক উত্তেজনার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


ইতালির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এখন ক্ষতিগ্রস্ত এফ-২০০০ যুদ্ধবিমান, ঘাঁটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সেখানে থাকা সামরিক সদস্যদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে পরবর্তী মূল্যায়ন করছে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

আকাশজমিন /  আরআর    


এ সম্পর্কিত আরো খবর