ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইসরায়েল নির্বাচনে আরবদের চমক: কারচুপির অভিযোগে সরব লিকুদ পার্টি দিনে সাড়ে তিন হাজার পর্যটকের নতুন সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক? ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: রাষ্ট্রপতির শূন্য আসনে শুরু হলো ভোটগ্রহণ ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা, আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয় মামলা ফ্যাসিস্টরা স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান সফরে নতুন ৪টি সমঝোতা স্মারক সই পাশাপাশি চার কবরে চিরনিদ্রায় একই পরিবারের চার সদস্য স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ

ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হত্যা মামলায় ৩ জনের ফাঁসি, ৪ জনের যাবজ্জীবন


সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক

  • আপলোড সময় : সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৪:৩৫ পিএম

টাঙ্গাইল  প্রতিনিধি 

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ফয়সাল আল মামুন এ বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেকের এক লাখ টাকা এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে, যা অনাদায়ে অতিরিক্ত এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়। তবে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সঞ্জিত ঘোষ নামে এক আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।


মামলার নথি ও পাবলিক প্রোসিকিউটর (পিপি) মো. সাইদুল রহমান স্বপনের বক্তব্য সূত্রে জানা যায়, সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুর এলাকায় ভাড়া বাসায় সপরিবারে বসবাস করতেন। ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর ভোর সাড়ে ৬টার দিকে তিনি প্রাতঃভ্রমণে বের হলে আকুরটাকুরপাড়া বটতলা বাজার এলাকায় একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাঁকে অতর্কিত গুলি ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে পালিয়ে যায়। ওই ঘটনার পরদিন নিহতের ছোট ভাই লাভলু মিয়া বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।


হত্যাকাণ্ডে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা, কাগমারা এলাকার মো. আজাদ এবং শ্রীফলিয়াটা গ্রামের মো. শাহজাহান মিয়া। অন্যদিকে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি হলেন—মো. সুজন, মো. সানোয়ার হোসেন, মো. শফিকুল ইসলাম শফিক ও রুজবেল ইমন।


তদন্তপ্রক্রিয়ায় প্রথমে ২০১৫ সালের ১৩ আগস্ট তৎকালীন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অশোক কুমার সিংহ আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রথম অভিযোগপত্র জমা দেন। তবে চার্জশিটের বিরুদ্ধে বাদী লাভলু মিয়া নারাজি আবেদন জানালে আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্তভার পায় সিআইডি। পরবর্তীতে দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ২৯ এপ্রিল টাঙ্গাইল সিআইডির পরিদর্শক রফিক উদ্দিন আহম্মেদ পূর্বের ওই আটজন আসামির বিরুদ্ধে নতুন করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পর্যাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে দীর্ঘ ১৩ বছর পর আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের বিচারিক কাজ সম্পন্ন হলো।


এ সম্পর্কিত আরো খবর