ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যামিলি কার্ডের আড়ালে সিন্ডিকেটের মহোৎসব চলছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে মানতে হবে নতুন কড়াকড়ি নিয়ম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে অনুমোদন পেলেন আসাদ আলম সিয়াম পুতিনের ছত্রছায়ায় আবারও চেচনিয়ার মসনদে রমজান কাদিরভ হামের উপসর্গে একদিনে দুই মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১০৬৫ ৪০ বছর পর এশিয়ান গেমসে ব্যক্তিগত পদক জিতল বাংলাদেশ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশ সভায় যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ নিয়ে যা জানালেন স্পিকার একদিনে রেকর্ড ১ হাজার ৮৭২ জন হাসপাতালে: মৃত্যু ৫

হামের উপসর্গে একদিনে দুই মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১০৬৫


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৮:০৪ পিএম

দেশে হাম ও এর উপসর্গজনিত রোগের প্রকোপ দিন দিন উদ্বেগজনক আকার ধারণ করছে। গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে এক হাজার ৩৪৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর ফলে চলতি প্রাদুর্ভাবে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে এক হাজার ৬৫ জনে পৌঁছাল।


মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত যে এক হাজার ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১০১ জন এবং হামের বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৯৬৪ জন। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া দুই শিশুর মধ্যে একজন ঢাকা বিভাগের এবং অন্যজন খুলনা বিভাগের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।


প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ২৫৭ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে, যার ফলে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১ হাজার ৮২ হাজার ২৯২ জনে। পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৯২ জন, এবং এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত মোট নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৭৩৮ জনে।


গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম সন্দেহে মোট ১ হাজার ৬০ হাজার ৯৮০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে সন্তোষজনকভাবে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৫৪ হাজার ৫১০ জন। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই রোগ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি।


এ সম্পর্কিত আরো খবর