ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬ দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৯৮২ জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি

গাজাকে বিশ্বের সবচেয়ে অমানবিক কারাগার আখ্যা দিয়ে এরদোগানের হুংকার


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৯:৫২ এএম

বিশ্ব ব্যবস্থাকে আরও একটি সমতাভিত্তিক এবং মানবিক কাঠামোগত রূপ দেওয়ার জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আমূল পরিবর্তনের তাগিদ দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। পাশাপাশি, বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের নায্য অধিকার নিশ্চিত করতে এখনো ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি এমন দেশগুলোকে অবিলম্বে তাদের নীতি পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের সামনে এই দ্ব্যর্থহীন অবস্থান তুলে ধরেন তুর্কি এই রাষ্ট্রপ্রধান।

 

ভাষণের শুরুতেই জাতিসংঘের বর্তমান কার্যকারিতা ও নিষ্ক্রিয়তার কঠোর সমালোচনা করেন এরদোগান। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার যে মূল দায়িত্ব জাতিসংঘের কাঁধে ন্যস্ত, সংস্থাটি তা রক্ষায় পুরোপুরি ব্যর্থ হচ্ছে। প্রায় আট দশক আগে যে স্বপ্ন ও আদর্শকে সামনে রেখে বিশ্ব এই সংস্থাটি গড়ে তুলেছিল, বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা তার সঙ্গে পুরোপুরি বেমানান। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচটি দেশের ভিটো ক্ষমতা ও একচেটিয়া আধিপত্যের সমালোচনা করে তিনি জানান, বিশ্বের প্রায় পৌনে দুইশ দেশের ভবিষ্যৎ বা মতামত মোটে পাঁচটি দেশের সংকীর্ণ স্বার্থের ওপর নির্ভরশীল থাকতে পারে না।

 

মধ্যপ্রাচ্যের ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়ে এরদোগান ফিলিস্তিনের গাজাকে বর্তমান শতাব্দীর সবচেয়ে অমানবিক ও লজ্জাজনক কারাগার হিসেবে আখ্যায়িত করেন। গাজায় চলা অবর্ণনীয় মানবিক বিপর্যয় কোনো বিবেকবান মানুষ মেনে নিতে পারে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। অবিলম্বে গাজার পুনর্গঠন কাজ শুরু করার পাশাপাশি ইসরাইলের ওপর কঠোর আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগের তাগিদ দেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। একই সঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা জটিলতার কারণে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের জাতিসংঘ অধিবেশনে সশরীরে উপস্থিত না পারার ঘটনাকে তিনি ফিলিস্তিনিদের প্রতি সরাসরি অবিচার বলে উল্লেখ করেন। আব্বাস অনুপস্থিত থাকলেও তুরস্ক স্বাধীন ফিলিস্তিনের পক্ষে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের জোরালো কণ্ঠস্বর অব্যাহত রাখবে বলে ঘোষণা দেন।

 

১৯৬৭ সালের পূর্বের সীমান্ত এবং পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও ভৌগোলিকভাবে অখণ্ড ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন। উল্লেখ্য, গাজায় ইসরাইলি সামরিক অভিযানের শুরু থেকেই আঙ্কারা একে গণহত্যা বলে তীব্র নিন্দা জানিয়ে আসছে এবং বিশ্ব সম্প্রদায়কে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়ে আসছে। (সূত্র: রয়টার্স)

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর