দেশ
রক্ষায় জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই: সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী
স্টাফ
রিপোর্টার
দেশের
চলমান সংকটে দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে একটি শক্তিশালী জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার ওপর সর্বাত্মক জোর দিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট নাগরিক ও রাজনৈতিক নেতারা।
দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রকাঠামো বিনির্মাণ এবং সার্বিক জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্মিলিত প্রয়াসের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন তারা।
গত
শনিবার রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ডেমোক্রেটিক বাংলাদেশ মুভমেন্ট (ডিবিএম)-এর উদ্যোগে আয়োজিত
এক প্রতিবাদী সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন। দেশব্যাপী তীব্র বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের
সংকট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি, দখলদারিত্ব, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, খুন, ধর্ষণ, গুম এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের
ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে এই কর্মসূচির আয়োজন
করা হয়। ডিবিএম সভাপতি ও সাবেক সচিব
কাসেম মাসুদের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমম্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র সারোয়ার
ওয়াদুদ চৌধুরী।
সমাবেশে
সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং একটি দুর্নীতিমুক্ত ও সুশাসিত রাষ্ট্রকাঠামো
গড়ে তুলতে দেশের সব দেশপ্রেমিক শক্তিকে
এক প্ল্যাটফর্মে আসতে হবে। জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমেই কেবল জনগণের মৌলিক অধিকার, জানমালের নিরাপত্তা এবং সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে
সংহতি প্রকাশ করে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন সংগঠনের
শীর্ষ নেতারা বর্তমান পরিস্থিতির তীব্র সমালোচনা করেন এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন মেজর জেনারেল আমসা আ আমিন, সাবেক
অতিরিক্ত সচিব ডঃ সাঈদুর রহমান
সেলিম, ডিবিএম মহাসচিব আবুল কালাম আজাদ, মহান মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা লিডার ডঃ শফিকুল ইসলাম
কানু, সোস্যাল জাস্টিস ফোরামের সভাপতি আবদুল্লাহ আল মাহমুদ শোয়েব,
গণমুক্তি জোটের চেয়ারম্যান ডঃ শাহরিয়ার ইফতিখার
ফুয়াদ, মানবাধিকার সংগঠক লায়ন আজম খান, ইউডিপি চেয়ারম্যান গাজী মোস্তাফিজুর রহমান এবং বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিনসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা
ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আজ নানা অব্যবস্থাপনা,
অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অনতিবিলম্বে এসব নৈরাজ্য ও অপরাধ দমন
করা না হলে সাধারণ
জনগণ আরও কঠোর সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাধ্য হবে। সমাবেশ থেকে দেশ ও জাতির বৃহত্তর
স্বার্থে অবিলম্বে প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ও কার্যকর ভূমিকা
পালনের জোরালো দাবি জানানো হয়।