ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬ দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৯৮২ জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান

নেটদুনিয়ায় ট্র

আমার আইকিউ ‘সবচেয়ে বেশি’, চাচার কাছ থেকেই পেয়েছি: ট্রাম্প


  • আপলোড সময় : শনিবার ০৩ অক্টোবর, ২০২৬ সময় : ১০:০৪ এএম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর স্বভাবসুলভ ও চটকদার মন্তব্যের জন্য প্রায়ই বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দেন। এবার তিনি দাবি করেছেন যে তাঁর আইকিউ বা বুদ্ধিমত্তা মানবজাতির মধ্যে ‘সবচেয়ে বেশি’। আর এই প্রখর মেধার রহস্য হিসেবে তিনি কৃতিত্ব দিয়েছেন তাঁর প্রয়াত চাচা ও ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) খ্যাতিমান বিজ্ঞানী জন ট্রাম্পের ‘ভালো জিন’ ও বুদ্ধিমত্তাকে।

 

সম্প্রতি বিশ্বখ্যাত ‘টাইম’ সাময়িকীকে দেওয়া এক দীর্ঘ ও খোলামেলা সাক্ষাৎকারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ওপেনএআই প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যানের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং ভূরাজনৈতিক নানা ইস্যু নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি নিজের মেধা প্রসঙ্গে এই মন্তব্য করেন ট্রাম্প। সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, জিনতত্ত্ব বা বংশগতির বিষয়টি তিনি গভীরভাবে বোঝেন। তাঁর প্রয়াত চাচা জন ট্রাম্প দীর্ঘ ৪১ বছর এমআইটির প্রকৌশল ও পদার্থবিদ্যা বিভাগে অধ্যাপক ছিলেন এবং চিকিৎসায় রেডিয়েশনের সফল প্রয়োগের জন্য ১৯৮৫ সালে মর্যাদাপূর্ণ ‘ন্যাশনাল মেডেল অব সায়েন্স’ পদক অর্জন করেছিলেন। ট্রাম্পের দাবি, সেই চাচার জিন ও বুদ্ধিমত্তাই তাঁর মধ্যে সঞ্চারিত হয়েছে।

 

তবে ট্রাম্পের এই বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যামূলক দাবি প্রকাশ্যে আসার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল ট্রোল ও সমালোচনার ঝড়। বংশগতিবিদ্যা বা জিনতত্ত্ব কীভাবে কাজ করে, সে বিষয়ে ট্রাম্পের জ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেন ও বিজ্ঞানপ্রেমীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) একজন ব্যবহারকারী কটাক্ষ করে লিখেছেন, ট্রাম্প আসলে বোঝেনই না জিন বা বংশগতি কীভাবে কাজ করে; কারণ তাঁর চাচা তো তাঁর পিতা নন, ফলে চাচার বুদ্ধিমত্তা সরাসরি ভাতিজার আইকিউ নির্ধারণ করতে পারে না। অন্য এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন যে, কারও চাচা প্রতিভাবান হলেই যে তাঁর ভাতিজা হুবহু একই রকম মেধার অধিকারী হবে—এমন অদ্ভুত ও হাস্যকর দাবি কেবল ট্রাম্পেরই মানায়।

 

বিশ্লেষকরা বলছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগেও বিভিন্ন নির্বাচনী প্রচারণায় কিংবা জনসভায় তাঁর পরিবারের ‘ভালো জিন’ ও মেধাবী পূর্বপুরুষদের প্রসঙ্গ টেনে এনে বেশ কয়েকবার বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন। এবার টাইম সাময়িকীতে দেওয়া তাঁর এই নতুন মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে হাস্যরস ও বিতর্কের খোরাক জুগিয়েছে।

 

                                                                             


এ সম্পর্কিত আরো খবর