রাশিয়ার বিভিন্ন তেল শোধনাগার এবং জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অবিলম্বে বন্ধ না করলে কিয়েভের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং ইউরোপীয় মিত্রদের মাধ্যমে অস্ত্র ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পূর্ণরূপে স্থগিত রাখার কঠোর সতর্কতা জারি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইউক্রেনের লাগাতার এসব হামলার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন এই কড়া অবস্থান নিয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিশ্বখ্যাত সংবাদমাধ্যম সিএনএন এবং ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে ইউরোপীয় উচ্চপদস্থ সূত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও পেন্টাগন থেকে পাঠানো এই বিশেষ সতর্কবার্তায় সরাসরি ইউক্রেনীয় সামরিক কমান্ডার ও ইউক্রেন সরকারের নীতি নির্ধারকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
ইউরোপীয় কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যিই গোয়েন্দা সহায়তা ও অস্ত্র প্রকিউরমেন্ট বা সংগ্রহ প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়, তবে ইউক্রেনের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মারাত্মক ও অপূরণীয় ঝুঁকিতে পড়বে।
এর আগে চলতি বছরের শুরুর দিকেও মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে কিয়েভের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যকার ডিজেল সংক্রান্ত সমীকরণ এবং নেতৃত্ব নিয়ে ওয়াশিংটনের কিছু মন্তব্যের পর কিয়েভ ও হোয়াইট হাউসের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা ও তিক্ততা তৈরি হয়েছে।