ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬,  ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২৫ অক্টোবর থেকে রিয়াদে ফ্লাইট শুরু করবে বিমান ঢাকা-সৌদি রুটে ১৩৪ ফ্লাইট বাতিল, চরম দুর্ভোগে ২০ হাজার যাত্রী রায়পুরায় ৩টি বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ৩ রায়পুরায় চাচাতো ভাইয়ের দায়ের কোপে যুবকের মৃত্যু টঙ্গীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ সামরিক শক্তি বাড়াতে ‘বদর’ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করল চার মুসলিম দেশ নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা: ৩৩ পয়েন্টে বিসর্জিত হচ্ছে দেবী প্রতিমা অভিষেকে ৫ উইকেট আর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৬ উইকেট: কে এই আরাফাত মিনহাস? কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে তিন পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২ কুমিল্লার জগন্নাথপুরে সড়ক বেহাল, দুর্ভোগে পথচারী

১৬০ রানেই অলআউট বাংলাদেশ

ত্রিদেশীয় সিরিজ


  • আপলোড সময় : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬ সময় : ৯:২৭ পিএম

ত্রিদেশীয় সিরিজের চরম সমীকরণের ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে মাত্র ১৬০ রানেই গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ। আরব আমিরাতের ঐতিহাসিক শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরুতেই একের পর এক উইকেট হারিয়ে মহাবিপদে পড়ে টাইগাররা। দলের আটজন ব্যাটারই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। কেবল সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমনের দায়িত্বশীল লড়াই ছাড়া বাকি কোনো ব্যাটার আফগান বোলারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি। শেষ পর্যন্ত ৪১.২ ওভারে ১৬০ রান তুলে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।


ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ওঠার সমীকরণ হিসেবে আজকের ম্যাচে বাংলাদেশকে অন্তত ৪১ রানের ব্যবধানে জিততে হতো। তবে কঠিন এই লক্ষ্যের চাপ সামলাতে গিয়ে ইনিংসের শুরুতেই চরম ব্যাটিং দৈন্যদশা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রথম সারির চার ব্যাটার তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত এবং অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় সাজঘরে ফেরেন দায়িত্বজ্ঞানহীন শট খেলে। এর মধ্যে সৌম্য সরকার, অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় ও স্পিনার আলিস আল ইসলাম কোনো রান না করেই শূন্য রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। মাত্র ২৮ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়, ঠিক তখনই প্রতিরোধ গড়ে তোলেন সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন।


পঞ্চম উইকেটে চরম ধৈর্যশীল ব্যাটিং উপহার দিয়ে এই দুই ব্যাটার ১৪৭ বল মোকাবিলা করে ৯৩ রানের একটি ধীরগতির জুটি গড়ে তোলেন। দলের রান বাড়াতে সাইফ ও ইমন টেস্ট মেজাজে খেলতে বাধ্য হওয়ায় স্কোরবোর্ড কাঙ্ক্ষিত গতি পায়নি। সাইফ হাসান ৮২ বলে ৪১ রান করে আউট হওয়ার পর মিরাজও দলীয় স্কোরে মাত্র ২ রান যোগ করে সাজঘরের পথ ধরেন। এরপর একপ্রান্ত আগলে রাখা পারভেজ হোসেন ইমন একা লড়াই চালিয়ে যান। রশিদ খানের গুগলিতে বিভ্রান্ত হয়ে এলবিডব্লিউ হওয়ার আগে ৯৬ বল খেলে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭০ রানের বীরত্বপূর্ণ ইনিংস উপহার দেন তিনি, যা সাজানো ছিল ৫টি চার ও ২টি ছক্কায়।


ইমন আউট হওয়ার পর টেলএন্ডাররা বেশিক্ষণ উইকেটে টিকতে পারেননি। ফলে ৪১ রানে ম্যাচ জেতার সুকঠিন সমীকরণ মেলানো বাংলাদেশের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ এই অলৌকিক জয় না পেলে আগামী শুক্রবারের ফাইনালে স্রেফ দর্শক হয়ে থাকতে হবে সাকিব-হৃদয়দের। শারজার স্পিনবান্ধব কন্ডিশনে আফগান স্পিনারদের ঘূর্ণিজাদুতে বধ হওয়া বাংলাদেশের ব্যাটারদের এমন পারফরম্যান্স এখন চরম সমালোচনার জন্ম দিচ্ছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর