ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

৭ দিনের মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমার দাবি: ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে লিগ্যাল নোটিশ


  • আপলোড সময় : রবিবার ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ সময় : ৮:৪৯ পিএম

সাংবাদিকদের নিয়ে উসকানিমূলক ও অবমাননাকর মন্তব্য এবং শারীরিক আক্রমণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে আলোচিত ইসলামী বক্তা মুফতি ড. সাইয়্যেদ মুহাম্মদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।


রোববার (২৫ অক্টোবর) নিম্ন আদালতের পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন ‘কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটি’র কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম সুজনের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম এ নোটিশ পাঠায়।


আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয়, নোটিশ পাওয়ার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে প্রকাশ্যে ও নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্ষমা না চাইলে এবং বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে তাঁর বিরুদ্ধে মানহানি, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা ও সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে দেশের প্রচলিত আইনে ফৌজদারি মামলাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


ঘটনার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ অক্টোবর রাতে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জৈনপুরী দরবার শরীফের পীর ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী। বক্তব্যে তিনি সাম্প্রতিক একটি মাদকবিরোধী অভিযান এবং অস্ত্র হাতে এক প্রতিমন্ত্রীর চলাফেরার প্রসঙ্গ তুলে ধরে সাংবাদিকদের তীব্র সমালোচনা করেন।


বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি সাংবাদিকদের একটি বড় অংশকে আক্রমণ করে বলেন, “সবচেয়ে খারাপ বাংলাদেশের সাংবাদিকগুলো। এগুলোরে কুত্তার মতো পেটানো দরকার।” এছাড়া সাংবাদিকদের একাংশকে ‘হলুদ সাংবাদিক’ এবং ‘বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী’ বলেও তোপ দাগেন তিনি।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর এ বক্তব্য ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে সাংবাদিক সমাজে চরম ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় ওঠে। তীব্র সমালোচনার মুখে গত ২১ অক্টোবর নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ব্যাখ্যায় আব্বাসী দাবি করেন, তিনি ঢালাওভাবে সব সাংবাদিককে এ কথা বলেননি; বরং অর্থের বিনিময়ে অপসাংবাদিকতা ও হলুদ সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িতদের উদ্দেশ্য করে কথাটি বলেছেন। তবে তাঁর এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট না হয়ে আইনি পদক্ষেপে হাঁটল সাংবাদিক সংগঠন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর