ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান ডিএমপির ৩ সহকারী পুলিশ কমিশনারকে নতুন পদে বদলি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তাপ: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ছাড়াল ১০৭ ডলার হরমুজে নতুন নৌপথ: ওমানের আঞ্চলিক বৈঠক স্থগিত দেশে ফিরে ইতালিতে হামলার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অভিনেত্রী বাঁধন ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে

দক্ষিণ সুদানের সব অভিবাসীর ভিসা বাতিলের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের


  • আপলোড সময় : শনিবার ১০ মে, ২০২৫ সময় : ৭:৪৯ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত দক্ষিণ সুদানের সব অভিবাসীর ভিসা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সঙ্গে দেশটির নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হচ্ছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, দক্ষিণ সুদানের যেসব অবৈধ অভিবাসীকে ফেরত পাঠানো হয়েছিল তাদের গ্রহণ করেনি দেশটি। এ কারণে এই দেশের সব নাগরিকের মার্কিন ভিসা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোববার (৬ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে বলেছেন, “পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দক্ষিণ সুদানের পাসপোর্টধারীদের সব ধরনের মার্কিন ভিসা বাতিলের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। এছাড়া এ দেশের নাগরিকরা যেন আর যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে না পারেন সেক্ষেত্রেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

গত ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগের মেয়াদে তিনি কয়েকটি মুসলিম প্রধান দেশের ওপর এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন। তার দ্বিতীয় মেয়াদে দক্ষিণ সুদান প্রথম দেশ হতে যাচ্ছে যেটির সব পাসপোর্টধারীকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হচ্ছে। ট্রাম্প তার নির্বাচনী প্রচারণায় অভিবাসন বিরোধী ব্যাপক প্রচার চালিয়েছিলেন। দক্ষিণ সুদানের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা তারই একটি প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বিবৃতিতে আরও বলেছেন, দক্ষিণ সুদানের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ‘যুক্তরাষ্ট্র থেকে সুযোগে সুবিধা আদায় করে নিচ্ছে।” তিনি বলেন, “যখন কোনো দেশ অন্য কোনো দেশের নাগরিকদের ফেরত পাঠাতে চায় তখন তাদের নিজ নাগরিকদের সময়মতো গ্রহণ করা উচিত।” দক্ষিণ সুদান যদি তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে তাহলে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন রুবিও।

বিশ্বের নবীনতম দেশ হলো দক্ষিণ সুদান। সঙ্গে এটি বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশও। এখানকার বেশিরভাগ মানুষ খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী। বর্তমানে সেখানে রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে। অনেকের আশঙ্কা ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত চলা গৃহযুদ্ধ আবারও ফিরে আসতে পারে। এ যুদ্ধে সেখানে ৪ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

দক্ষিণ সুদানের জনগণকে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন ‘অস্থায়ী সুরক্ষা স্ট্যাটাস’ দিয়েছিল। এতে করে এ দেশের মানুষকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর সুযোগ নেই। তবে ২০২৫ সালের ৩ মে এটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। সূত্র: এএফপি

আকাশজমিন/আর



এ সম্পর্কিত আরো খবর