ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

বিতর্কিত ওয়াকফ বিলের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামছে ভারতীয় মুসলিমরা


  • আপলোড সময় : বুধবার ০৭ মে, ২০২৫ সময় : ৪:৪৯ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিতর্কিত (সংশোধিত) ওয়াকফ বিলের বিরুদ্ধে ভারতজুড়ে আন্দোলন করবে অল ইন্ডিয়ান মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড (এআইএমপিএলবি)। যতদিন পর্যন্ত এই বিল রহিত না করা হবে ততদিন এ আন্দোলন চলবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। সব ধর্ম, কমিউনিটিভিত্তিক এবং সামাজিক সংগঠনকে এরসঙ্গে যুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছে তারা।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) জোটের সমালোচনা করে সংস্থাটি বলেছে এ জোটের সঙ্গে থাকা দল জেডি (ইউ), টিডিপি এবং এলজেপি (রামবিলাশ) পার্লামেন্টে ওয়াকফ বিলে সমর্থন জানিয়েছে। এরমাধ্যমে এ দলগুলো তাদের কথিত ধর্মনিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে দিয়েছে।

‘নিপীড়নমূলক এ সংশোধনী’-র বিরুদ্ধে সংবিধান অনুযায়ী যা যা করা যায় তার সবাই করা হবে বলে মুসলিমদের আশ্বস্ত করেছে সংস্থাটি। এছাড়া এ বিল নিয়ে কোনো মুসলিমকে হতাশাগ্রস্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

বিতর্কিত এ ওয়াকফ বিলের বিরুদ্ধে শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টের দারস্থই হবে না ভারতীয় মুসলিমরা। এটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন আন্দোলন ও সংগ্রাম অব্যাহত রাখা হবে। পবিত্র ঈদুল আজহার পর তারা আন্দোলনের দ্বিতীয় ধাপের ঘোষণা দেবেন।

ভারতে ২৫টির বেশি ওয়াকফ বোর্ড রয়েছে। যাদের অধীনে আছে ৮৫ হাজার সম্পত্তি এবং ৯ লাখ একর জমি। মুসলিমরা ধর্মীয় ও অন্যান্য উদ্দেশ্যে যেসব জমি বা সম্পদ দান করেন সেগুলো ওয়াকফ হিসেবে পরিচিত। এই জমি বেঁচা বা কেনা যায় না। আর এগুলোর তদারিক করে থাকে মুসলিমরাই। তবে বিতর্তিক ওয়াকফ বিলে ওয়াকফ বোর্ডে অমুসলিমদের রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মুসলিমদের আশঙ্কা এরমাধ্যমে তাদের সম্পদ কুক্ষিগত করার পরিকল্পনা করছে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার।

সংশোধনী ওয়াকফ বিলটিতে ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার ১২৮ সদস্য পক্ষে ভোট দেন। বিপক্ষে দেন ৯৫ জন। এরপর এটি লোকসভায় ২৮৮/২৩২ ভোটে পাস হয়। সবশেষে রাষ্ট্রপতি দ্রুপদি মুর্মু এটির অনুমোদন দেন। এতে বিতর্কিত এ বিলটি আনুষ্ঠানিকভাবে আইনে পরিণত হয়।সূত্র: এনডিটিভি

আকাশজমিন/আর


এ সম্পর্কিত আরো খবর