সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি / : 162
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
প্রায় দেড়'শ বছর আগের সিরাজগঞ্জের তাড়াশের বারুহাঁসের ভাদাই নাম খ্যাত মুল মেলার পরের দিন অনুষ্ঠিত হতে শুরু করে ঐতিহ্যবাহী বউ মেলা। যে মেলায় মা, শাশুড়ী, জায়া, জননী মিলে কেনা কাটায় মেতে উঠেন। আবার এ বউ মেলায় শুধু বারুহাঁস গ্রাম নয় আশপাশের তাড়াশ, সিংড়া, গুরুদাসপুরের সীমান্ত ঘেষা গ্রাম গুলো থেকে নারী, কন্যা, কিশোরীসহ নানা বয়সের নারীরা ভীড় জমান। যা এলাকায় বউ-শাশুড়ির মিলন মেলায় পরিণত হয়। স্থানীয়রা জানান, এ বছরও শুক্রবার পূর্ণিমার রাতে বসে ছিল বারুহাঁসের ভাদাই মেলা।
আর
মুল মেলা ছিল শনিবার সারা দিন। এরপর রবিবার সকাল থেকে এলাকার শত শত নারী তাঁদেও জন্য
উম্মুক্ত বউ মেলায় আসতে শুরু করেন। বিশেষ করে ঐতিহ্যবাহী বউ মেলায় দোকান গুলোতে নামী-
দামী ব্যান্ডের কসমেটিক্স সামগ্রীর সাথে কম দামের পণ্যও ঠাসা ছিল। এ ছাড়া ছাড়াও কাঠের
তৈরি আসবাবপত্র, নিত্য প্রয়োজনীয় গৃহস্থালী জিনিসপত্র, মৃৎপাত্র, মিঠাই মিষ্টান্ন থেকে
কোন কিছুই বাদ ছিলনা।
নাগর
দোলায় চাপা, জাদু প্রদর্শণ, পতুল নাচ দেখতে এবং মেলার রস গোল্লা খেতে এসেছেন সিংড়ার
বিয়াস গ্রামের কিশোরী জান্নাতুল পারভীন। আবার বউ মেলায় অনেক বয়স্ক নারীদের বাঁশ, বেত,
কাঠের তৈরী আসবাব, দা- বটির মত প্রয়োজনী লৌহ্যজাত গৃহস্থালী জিনিসপত্র কিনতে দেখা গেছে।
মেলার আয়োজক কমিটির সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম জানান, মেলার পরের দিন আশে- পাশের এলাকার প্রায় ২০ থেকে ২৫ টি গ্রামের কিশোরী, স্কুল- কলেজে পড়া মেয়েরা ও বয়স্ক নারীরা মেলায় এসে সাচ্ছন্দে কেনাকাটা করেন। পাশাপাশি মেলায় পাওয়া যায় এমন হরেক রকম খাবারও খান। আর নারীদের নিরাপত্তার জন্য আয়োজক কমিটি নজরও রাখেন।
আকাশজমিন/আরআর