ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

বৈশাখী ঘিরে মৃৎশিল্পীদের ব্যস্ততা নাই, কদর কমছে মাটির খেলনার


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ১৩ মে, ২০২৫ সময় : ৬:৪৫ এএম

শিবগঞ্জ (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ

বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ হল বাঙালির ঐতিহ্যবাহী উৎসব। আর এই উৎসবকে ঘিরে বাংলার মাঠে পথে প্রান্তরে বসবে প্রাণের বৈশাখী মেলা। এই মেলা কে ঘিরে একসময় ব্যস্ত সময় পার করলেও এখন মৃৎশিল্পীরা স্বল্পপরিসরে মেলার খেলনা সামগ্রী তৈরি করছেন। তবে কুমারপল্লীর ঘরে ঘরে চলছে কাঁদা মাটির খেলা আর এই হস্তশিল্পের খেলায় মেতে উঠেছে গৃহবধূ থেকে শুরু করে যুবক-যুবতী সবাই তৈরি করছে নার্সারি টব ও দই বানানোর হাড়ি বা সরা। কদর নেই আগের মতো বৈশাখী মেলার খেলনা সামগ্রীর।

 সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা ইউনিয়নের শংকরপুর (পালপাড়া) গ্রামের সকলেই মাটির কাজ করছেন। পূর্বপুরুষের এই পেশাটি ধরে রাখতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে মাটি দিয়ে তৈরি করছেন দইয়ের খুটি সড়া ও নার্সারি টব। অথচ একসময় পাল পাড়ায় ঢুকলে মাটির তৈরি হাড়ি-পাতিল, কলস, থালা-বাটি, পিসনি, কড়াইসহ দৈনন্দিন জীবনের বাসন পত্র চোখে পরতো। এখন আর সেসবের কিছু চোখে পড়ে না।

 এ সময় কথা হয় মৃৎশিল্পী মুক্তির রানী পালের সাথে তিনি বলেন, প্লাস্টিকের বিভিন্ন জিনিসপত্র বাজারে সয়লাব হয়ে যাওয়ায় এখন আর মাটির তৈরি জিনিসপত্রের আগের মত কদর নেই। বাপ দাদার ঐতিহ্য ধরে রাখতে ও জীবন জীবিকার তাগিদে আমরা এখন নার্সারি টব ও  দইয়ের খুটি তৈরি করছি। তিনি আরো বলেন অনেকেই এ পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন।

 একই গ্রামের প্রমিলা রানী পাল বলেন, গত কয়েক বছর আগেও যখন মেলা বেশি হতো তখন আমরা হাতি, ঘোড়া, হরিণ, আম, কাঠাল, পুতুল গাড়ি সহ বিভিন্ন ধরনের অনেক খেলনা সামগ্রী বানানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করতাম। কালের বিবর্তনে এখন আর এসব সামগ্রীর কদর নেই।

 এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান বলেন, মৃৎশিল্পকে টিকিয়ে রাখতে স্বল্প লাভে ঋণ প্রদান করা হবে। প্রয়োজনে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর