সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি / : 197
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে কুন্দাশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জরাজীর্ণ ভবনে আতঙ্ক নিয়ে চলে পাঠদান। বিদ্যালয়ের ভবনের ছাদে ফাটল, খসে পড়ছে পলেস্তারা, বেরিয়ে পড়েছে ভেতরের রড ও ইট। পিলারেও সৃষ্টি হয়েছে ফাটল, জরাজীর্ণ অবস্থা ভবনটির। সেই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে পাঠদান। তাই শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা থাকেন আতঙ্কে। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯১৫
সালে। প্রথম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে নিবন্ধিত হয় ১৯৭৩ সালে। এই বিদ্যালয়ে
প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ১৪৩ জন শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে। জরাজীর্ণ
ভবনে কোনো রকমে জোড়াতালি দিয়ে চলছে পাঠদান। যে কোনো মুহূর্তে ভবন ধসে ঘটতে পারে বড়
ধরনের দুর্ঘটনা। শিক্ষকরা জানান, বিদ্যালয়ে কক্ষ দরকার আর ভবনের অবস্থাও ভয়াবহ। অন্য
কোনো উপায় না থাকায় বাধ্য হয়েই এই ভবনে পাঠদান চালিয়ে যেতে হচ্ছে। দুর্ঘটনার ভয়ে
অবিভাবকেরা শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে পাঠাতে ভয় পায় আবার শিক্ষার্থীরাও ভয়ে আসতে
চায় না। শিক্ষার্থীরা জানায়, মাঝেমধ্যেই ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে। যে কোনো মুহূর্তে
বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ভয়ে ভয়ে ক্লাস করতে হয়। শিক্ষকরা যখন পড়ান তখন তারা আতঙ্কে
পাঠে মনোযোগ দিতে পারে না।
কুন্দাশন
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ সামিউল ইসলাম জানান, নতুন
ভবনের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও স্থানীয় এলজিডি অফিসের দরখাস্ত দেয়া হয়েছে। কিন্তু
কাজ হয়নি।
তিনি
আরও বলেন, বিদ্যালয়ে দক্ষ শিক্ষক আছে অথচ অবকাঠামোর অবস্থা করুণ। কোনো রকম জোড়া তালি
দিয়ে পাঠদানের কাজ চলছে। কখন ভেঙে পড়ে সেই ভয়ে এবং আতঙ্কে থাকতে হয়।
তাড়াশ
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার মোঃ আশরাফুল ইসলাম জানান, কুন্দাশন সরকারি প্রাথমিক
বিদ্যালয়টি ঝুঁকিপূর্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যেই রয়েছে। ভবনগুলো নতুনভাবে নির্মাণের
জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু হবে।
আকাশজমিন/আরআর