ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২ কমলা হ্যারিসের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশের চেষ্টা, পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার রাজধানীতে সকালের বৃষ্টিতে সড়কে ভোগান্তি, ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস ইয়েমেনে ফের তীব্র সংঘাত, ১২৯টি হামলার দাবি হুথিদের

রাজশাহীতে বিক্ষোভ ফসিল ফুয়েল ও এলএনজি প্রকল্পে বিনিয়োগ বন্ধের প্রস্তাব


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১৫ মে, ২০২৫ সময় : ১:১০ পিএম

উত্তরাঞ্চল প্রতিনিধি:

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) ফসিল ফুয়েল ও এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) প্রকল্পে বিনিয়োগের বিরুদ্ধে রাজশাহীতে  বিক্ষোভ করছে চরাঞ্চলের নারীরা। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১ টায় রাজশাহীর পদ্মাপাড়ে বড়কুঠি এলাকায় এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা পরিবর্তন রাজশাহী, ‘ক্লিন’ এবং ‘বিডাব্লিউজিইডি’র যৌথ উদ্যোগে, এডিবির ৫৮তম বার্ষিক সভার প্রাক্কালে আয়োজিত কর্মসূচিতে জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় শিকার চরঞ্চলের নারীরা অংশ নেন। এসময় বক্তব্য দেন পদ্মাপাড়ের বাসিন্দা পিয়া খাতুন, নাগরিক নেতা পঙ্কজ কর্মকার,পরিবর্তন পরিচালক রাশেদ রিপন ও সোমা হাসান।

তারা বলেন, এডিবি ২৮৮৪.৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে মোট ৪.৮৮ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে, যার ৮২.৯ শতাংশ জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক প্রকল্পে, মাত্র ২.৫৫ শতাংশ সৌরবিদ্যুতে, এবং বায়ু বিদ্যুতে কোনো বিনিয়োগ নেই। জীবাশ্ম জ্বালানি প্রকল্পে প্রতি মেগাওয়াটের জন্য ২.০৪ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হলেও সৌরবিদ্যুতে তা মাত্র ০.৫১ মিলিয়ন ডলার। বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, এডিবি খুলনার ১৫০ মেগাওয়াট গ্যাস টারবাইন বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ২২৫ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রে রূপান্তরের জন্য অতিরিক্ত ১০৪.১১ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। গত ১১ বছরে কেবল এই একটি প্রকল্পেই সরকারের ব্যয় হয়েছে প্রায় ১,৮২৪ কোটি টাকা। অথচ রাজশাহীতে গ্যাস সরবরাহের কোনো স্থায়ী নিশ্চয়তা নেই।

বক্তারা বলেন, বিশ্ব যখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন এডিবির ফসিল ফুয়েলে বিনিয়োগ জলবায়ু সংকট আরও ঘনীভূত করছে এবং বাংলাদেশের মতো জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশের জন্য বিপদ বাড়াচ্ছে। বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি আবশ্যক। ফসিল ফুয়েলের উপর নির্ভরতা দেশের পরিবেশগত, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নকে ব্যাহত করছে। এডিবিকে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে পরিবেশবান্ধব ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রকল্পে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।#

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর