ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা, আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয় মামলা ফ্যাসিস্টরা স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান সফরে নতুন ৪টি সমঝোতা স্মারক সই পাশাপাশি চার কবরে চিরনিদ্রায় একই পরিবারের চার সদস্য স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬

গাঁজা সেবনের অভিযোগে তামীরুল মিল্লাত মাদ্রাসার তিন শিক্ষার্থী বহিষ্কার


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২২ মে, ২০২৫ সময় : ৬:২৮ পিএম

টঙ্গী প্রতিনিধি :

গাজীপুরের টঙ্গীতে তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার আওতাধীন আল ফালাহ হোস্টেল থেকে গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় তিনজন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন—আবু বকর সিদ্দিক (দাখিল ১০ম শ্রেণি, সাধারণ ক শাখা), মুজাহিদুল ইসলাম ফাহিম (দাখিল ১০ম শ্রেণি, সাধারণ খ শাখা) এবং মোহাম্মদ আর রাফি ইসলাম (অষ্টম শ্রেণি)।

সূত্র জানায়, গত ৯ মে রাতে ছাত্র প্রতিনিধিরা গোপন তথ্য পান যে, শিক্ষক মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান পরিচালিত আল ফালাহ হোস্টেল-এর একজন শিক্ষার্থীর কাছে মাদকদ্রব্য রয়েছে। রাত আনুমানিক ১২টার পর হোস্টেলের আবাসিক শিক্ষার্থী রাফিকে তল্লাশি করে তার টেবিল বক্সে গাঁজা পাওয়া যায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাফি ইসলাম জানান, তিনি গাঁজা সংগ্রহ করেছেন দাখিল ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আবু বকর সিদ্দিকের কাছ থেকে। সেই সময় আবু বকরের পাশে ছিলেন মুজাহিদুল ইসলাম ফাহিম।

ঘটনার পরপরই বিষয়টি আল ফালাহ হোস্টেল-এর ছাত্র প্রতিনিধিরা মাদ্রাসা প্রশাসনকে জানালে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত তিন শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসা থেকে বহিষ্কার করা হয়।

এ বিষয়ে আল ফালাহ হোস্টেল-এর পরিচালক মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমাদের অজান্তে হোস্টেলের ছাত্ররা এমন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে, তা মেনে নেওয়ার মতো নয়। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আগামী দুই মাসের মধ্যে আমি হোস্টেল পরিচালনা থেকে সরে দাঁড়াব। এরপর ‘আল ফালাহ হোস্টেল’ নামে কোনো হোস্টেল আর থাকবে না।”

মাদ্রাসা প্রশাসন জানায়, নৈতিক স্খলন ও শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে তারা। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে আল ফালাহ হোস্টেলসহ সব আবাসিক ভবনে তদারকি ও নজরদারি আরও জোরদার করা হবে।

আকাশজমিন/আরআর

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর