ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

গাঁজা সেবনের অভিযোগে তামীরুল মিল্লাত মাদ্রাসার তিন শিক্ষার্থী বহিষ্কার


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২২ মে, ২০২৫ সময় : ৬:২৮ পিএম

টঙ্গী প্রতিনিধি :

গাজীপুরের টঙ্গীতে তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার আওতাধীন আল ফালাহ হোস্টেল থেকে গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় তিনজন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেনআবু বকর সিদ্দিক (দাখিল ১০ম শ্রেণি, সাধারণ ক শাখা), মুজাহিদুল ইসলাম ফাহিম (দাখিল ১০ম শ্রেণি, সাধারণ খ শাখা) এবং মোহাম্মদ আর রাফি ইসলাম (অষ্টম শ্রেণি)।

সূত্র জানায়, গত ৯ মে রাতে ছাত্র প্রতিনিধিরা গোপন তথ্য পান যে, শিক্ষক মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান পরিচালিত আল ফালাহ হোস্টেল-এর একজন শিক্ষার্থীর কাছে মাদকদ্রব্য রয়েছে। রাত আনুমানিক ১২টার পর হোস্টেলের আবাসিক শিক্ষার্থী রাফিকে তল্লাশি করে তার টেবিল বক্সে গাঁজা পাওয়া যায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাফি ইসলাম জানান, তিনি গাঁজা সংগ্রহ করেছেন দাখিল ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আবু বকর সিদ্দিকের কাছ থেকে। সেই সময় আবু বকরের পাশে ছিলেন মুজাহিদুল ইসলাম ফাহিম।

ঘটনার পরপরই বিষয়টি আল ফালাহ হোস্টেল-এর ছাত্র প্রতিনিধিরা মাদ্রাসা প্রশাসনকে জানালে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত তিন শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসা থেকে বহিষ্কার করা হয়।

এ বিষয়ে আল ফালাহ হোস্টেল-এর পরিচালক মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমাদের অজান্তে হোস্টেলের ছাত্ররা এমন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে, তা মেনে নেওয়ার মতো নয়। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আগামী দুই মাসের মধ্যে আমি হোস্টেল পরিচালনা থেকে সরে দাঁড়াব। এরপর ‘আল ফালাহ হোস্টেল নামে কোনো হোস্টেল আর থাকবে না।

মাদ্রাসা প্রশাসন জানায়, নৈতিক স্খলন ও শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে তারা। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে আল ফালাহ হোস্টেলসহ সব আবাসিক ভবনে তদারকি ও নজরদারি আরও জোরদার করা হবে।

আকাশজমিন/আরআর

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর