ভৈরব প্রতিনিধি:
সম্পত্তি
দলিল করে দেয়ার জন্য সহোদর ভাই ও বৃদ্ধা মাকে মারধর করে গুরুত্বর আহত করে বসতঘরের আসবাবপত্র
ও দরজা জানালা ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। এঘটনা ঘটেছে কিশোরগঞ্জের
ভৈরব পৌর শহরের চন্ডিবের পলতাকান্দা গ্রামে। অভিযুক্ত আল আমিন (৩৭) ও দিপু মিয়া (৩৩),
ওই গ্রামের ইদ্রিস মিয়ার পুত্র।
এঘটনায় আজ রবিবার সকালে ভৈরব থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নারী ফাতেমা বেগম। ভুক্তভোগী নারী ফাতেমা বেগম জানান, তাঁর ৩ছেলে ও ৬ কন্যা সন্তান রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে স্বামী প্যারালাইসিসের কারণে চলাফেরা করতে পারেননা। বিদেশে থাকা ছোট ছেলে মামুন মিয়া এ সংসারের খরচ চালিয়ে আসছে।
বিগত ৮ মাস পূর্বে তাঁর ছেলে আল আমিনকে মৌখিকভাবে তার অংশ দিয়ে আলাদা করে দেয়া হয়। আলাদা হওয়ার পর থেকে সম্পত্তি লিখে দিতে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছে আল আমিন। ছোট ছেলে মামুন বিদেশ থেকে দেশে আসার পর তার কাছেও দুই লাখ টাকা দেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে অভিযুক্তরা। দাবিকৃত টাকা ও সম্পত্তি লিখে না দেয়ার জেরে আল আমিন ও দিপু মিয়া গত ১২জুন, বৃহস্পতিবার রাতে লাঠিসোটা নিয়ে এসে বৃদ্ধা মা ফাতেমা বেগমকে মারধর করে এবং মাথায় কুপিয়ে রক্তাক্ত আহত করেন।
এসময় মামুন মিয়া ও তাহার স্ত্রী ফারজানা আক্তার বাঁচাতে আসলে দিপু মিয়া মামুনের
ডান হাতে ছুরি দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত করেন এবং ফারজানা আক্তারকেও মারধর করা হয়। এসময়
ঘরের দরজা, জানালা, স্টীলের আলমারী ও বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাংচুর করা হয় বলে অভিযোগ করেন
ভুক্তভোগী।
এঘটনায়
ভৈরব থানার ওসি খন্দকার ফুহাদ রুহানী বলেন, বৃদ্ধা মা ও প্রবাসী ভাইকে মারধরের ঘটনায়
লিখিত অভিযোগ করেছে ফাতেমা বেগম। তদন্তপূর্বক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা
গ্রহণ করা হবে।
আকাশজমিন/আরআর