ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা, আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয় মামলা ফ্যাসিস্টরা স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান সফরে নতুন ৪টি সমঝোতা স্মারক সই পাশাপাশি চার কবরে চিরনিদ্রায় একই পরিবারের চার সদস্য স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬

খরাপ্রবণ অঞ্চলে জলবায়ু সহনশীল কৃষি পরিকল্পনা নিশ্চিতের দাবি

রাজশাহীতে সংলাপ


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২৬ জুন, ২০২৫ সময় : ৬:৪১ পিএম

উত্তরাঞ্চল প্রতিনিধি:

বিশ্ব খরা ও মরুকরণ দিবস উপলক্ষে রাজশাহীতে আয়োজিত সংলাপে খরা-প্রবণ অঞ্চলে জলবায়ু-সহনশীল কৃষি পরিকল্পনা, ক্ষয়িষ্ণু পানি সম্পদের পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা ও আবহাওয়া ভিত্তিক কৃষি তথ্য সেবা নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে মৃতপ্রায় জমিতে জৈব সার ও কৃষি অনুকূল চাষাবাদ চালু করারও দাবি জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার রাজশাহী নগরীর একটি অভিজাত হোটেলের হল রুমে এ সংলাপের আয়োজন করে ‘খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক’- খানি, বাংলাদেশের সদস্য সংস্থাপ পরিবর্তন। ‘ভূমি পুনরুদ্ধার’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এই সংলাপের আয়োজন করা হয়।

রাজশাহী মহিলা পরিষদ সভাপতি কল্পনা রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরেন্দ্র বহুমুখি উন্নয়ন প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক তরিকুল আলম। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব ও খনি বিদ্যা বিভাগের প্রফেসর চৌধুরী সারওয়ার জাহান। অলোচক ছিলেন,  বেসরকারি সংস্থা রুলফাও’র নির্বাহী পরিচালক আফজাল হোসেন, রাজশাহী জেলা কৃষক দলের সভাপতি শফিকুল আলম সমাপ্ত ও পরিবর্তন পরিচালক রাশেদ রিপন।

আলোচনা পর্বে সিনিয়র সাংবাদিক মুস্তাফিজুর রহমান খান, পার্টনার পরিচালক আলিমা খাতুন, বারসিক সমন্বয়কারি শহিদুল আলম, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিমল রাজোয়ার, আসাউস নির্বাহী পরিচালক রাজকুমার সাও এবং দিনের আলো পরিচালক মোহনা তাদের মতামক তুলে ধরেন।

সংলাপে বলা হয়, বরেন্দ্র অঞ্চলসহ দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলে প্রায়ই খরার প্রকোপ দেখা যায়। খরার কারণে বরেন্দ্র অঞ্চলে অনাবাদি বা অকৃষি জমির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৫ শতাংশে। খরা ও পানির অভাবে ১৯৭১ সালের পর থেকে কৃষি বা চাষের জমি হারিয়েই চলছেন প্রান্তিক কৃষকেরা।

সংলাপে বলা হয়, বরেন্দ্র অঞ্চলে খরার প্রভাবে কৃষিজমি হ্রাসের ফলে একদিকে যেমন কৃষকের জীবিকা ঝুঁকির মুখে পড়েছে, তেমনি ফলন কমে যাওয়ায় সার্বিক খাদ্য নিরাপত্তায় নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে- যা সময়ের সাথে ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ অবস্থায় খরা-প্রবণ অঞ্চলে ক্ষয়িষ্ণু পানি সম্পদের পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা, ফসলের বৈচিত্র্যতা ও আবহাওয়া ভিত্তিক কৃষি তথ্য সেবা নিশ্চিতের দাবি জানানো হয় তারা। এ ছাড়াও জাতীয় বাজেটে জলবায়ু অভিযোজন, ভূমি ব্যবস্থাপনায় বরাদ্দ বৃদ্ধি, জমির উপর ভূমিহীন ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।#

আকাশজমিন/আরাআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর