ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২ কমলা হ্যারিসের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশের চেষ্টা, পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার রাজধানীতে সকালের বৃষ্টিতে সড়কে ভোগান্তি, ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস ইয়েমেনে ফের তীব্র সংঘাত, ১২৯টি হামলার দাবি হুথিদের

খরাপ্রবণ অঞ্চলে জলবায়ু সহনশীল কৃষি পরিকল্পনা নিশ্চিতের দাবি

রাজশাহীতে সংলাপ


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২৬ জুন, ২০২৫ সময় : ৬:৪১ পিএম

উত্তরাঞ্চল প্রতিনিধি:

বিশ্ব খরা ও মরুকরণ দিবস উপলক্ষে রাজশাহীতে আয়োজিত সংলাপে খরা-প্রবণ অঞ্চলে জলবায়ু-সহনশীল কৃষি পরিকল্পনা, ক্ষয়িষ্ণু পানি সম্পদের পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা ও আবহাওয়া ভিত্তিক কৃষি তথ্য সেবা নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে মৃতপ্রায় জমিতে জৈব সার ও কৃষি অনুকূল চাষাবাদ চালু করারও দাবি জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার রাজশাহী নগরীর একটি অভিজাত হোটেলের হল রুমে এ সংলাপের আয়োজন করে ‘খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক- খানি, বাংলাদেশের সদস্য সংস্থাপ পরিবর্তন। ‘ভূমি পুনরুদ্ধার প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এই সংলাপের আয়োজন করা হয়।

রাজশাহী মহিলা পরিষদ সভাপতি কল্পনা রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরেন্দ্র বহুমুখি উন্নয়ন প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক তরিকুল আলম। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব ও খনি বিদ্যা বিভাগের প্রফেসর চৌধুরী সারওয়ার জাহান। অলোচক ছিলেন,  বেসরকারি সংস্থা রুলফাওর নির্বাহী পরিচালক আফজাল হোসেন, রাজশাহী জেলা কৃষক দলের সভাপতি শফিকুল আলম সমাপ্ত ও পরিবর্তন পরিচালক রাশেদ রিপন।

আলোচনা পর্বে সিনিয়র সাংবাদিক মুস্তাফিজুর রহমান খান, পার্টনার পরিচালক আলিমা খাতুন, বারসিক সমন্বয়কারি শহিদুল আলম, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিমল রাজোয়ার, আসাউস নির্বাহী পরিচালক রাজকুমার সাও এবং দিনের আলো পরিচালক মোহনা তাদের মতামক তুলে ধরেন।

সংলাপে বলা হয়, বরেন্দ্র অঞ্চলসহ দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলে প্রায়ই খরার প্রকোপ দেখা যায়। খরার কারণে বরেন্দ্র অঞ্চলে অনাবাদি বা অকৃষি জমির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৫ শতাংশে। খরা ও পানির অভাবে ১৯৭১ সালের পর থেকে কৃষি বা চাষের জমি হারিয়েই চলছেন প্রান্তিক কৃষকেরা।

সংলাপে বলা হয়, বরেন্দ্র অঞ্চলে খরার প্রভাবে কৃষিজমি হ্রাসের ফলে একদিকে যেমন কৃষকের জীবিকা ঝুঁকির মুখে পড়েছে, তেমনি ফলন কমে যাওয়ায় সার্বিক খাদ্য নিরাপত্তায় নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে- যা সময়ের সাথে ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ অবস্থায় খরা-প্রবণ অঞ্চলে ক্ষয়িষ্ণু পানি সম্পদের পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা, ফসলের বৈচিত্র্যতা ও আবহাওয়া ভিত্তিক কৃষি তথ্য সেবা নিশ্চিতের দাবি জানানো হয় তারা। এ ছাড়াও জাতীয় বাজেটে জলবায়ু অভিযোজন, ভূমি ব্যবস্থাপনায় বরাদ্দ বৃদ্ধি, জমির উপর ভূমিহীন ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।#

আকাশজমিন/আরাআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর