ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

তাড়াশে রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০১ জুলাই, ২০২৫ সময় : ৪:৪৪ পিএম

সিরাজগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধিঃ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে কাবিটা-টিআর প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থে নিম্নমানের ইট দিয়ে রাস্তা নির্মানে আভিযোগ উঠেছে এক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। ওই রাস্তার নির্মান ব্যয় ধরা হয়েছে সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তাড়াশ উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের কুন্দইল গ্রামে শাহানুরের বাড়ি হতে জাহিদুলের বাড়ি পর্যন্ত ১৫০ ফিট ইট সলিংয়ের রাস্তায় নিম্নমানের ইট ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যান মো. জুলফিকার আলী ভুট্টোর বিরুদ্ধে। স্থানীয় জনগণ কাজে বাধা দিলেও কাজ বন্ধ না করে ওই নিম্নমানের ইট দিয়েই নির্মান কাজ শেষে করেছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ওই রাস্তায় ব্যবহৃত ইট গুলোর তিন ভাগই আদলা প্রকৃতির নিম্নমানের ইট। যা যাত্রী বোঝাই ভ্যানের চাকার চাপেই ভেঙে যাচ্ছে। স্থানীয়দের বাধা উপেক্ষা করে ওই রাস্তার সলিংয়ের কাজ শেষ করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে এলাকাবাসীর। স্থানীয় বাসিন্দা আমজাদ হোসেন জানান, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের ইউনিয়ন পরিষদের অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বাড়াতে এলজিএসপি প্রকল্পে সগুনা ইউনিয়নের কুন্দইল গ্রামে ইট সলিংয়ের জন্য টিআর ও কাবিটার সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ আসে। কিন্তু উক্ত কাজে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্টো প্রভাব খাটিয়ে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করছেন। নির্মান শ্রমিক আব্দুল খালেক নিম্নমানের ইট ব্যবহারের কথা স্বীকার করে জানিয়েছেন, চেয়ারম্যান আমাদের যে ইট দিয়েছে তাই দিয়ে আমরা কাজ করেছি।


ওই রাস্তার প্রকল্প সভাপতি ইউপি সদস্য ইয়াসিন আলী বলেন, আমি প্রকল্প সভাপতি হলেও কাজটি মূলতঃ চেয়ারম্যানের। তাঁর নির্দেশনা মোতাবেক কাজ হয়েছে।ম এ বিষয়ে সগুনা ইউপি চেয়ারম্যান মো. জুলফিকার আলী ভুট্টো বলেন, অনেকের কাছে ইটের মান খারাপ হলেও আমি ভাল মানের ইট দিয়েই সলিংয়ের কাজ করেছি। এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস এম শামীম আহম্মেদ বলেন, এখনও কাজের বিল পরিশোধ করা হয়নি। যদি রাস্তার কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করে কাজ করে থাকে, তাহলে চেয়ারম্যানকে ভাল ইট দ্বারা ওই রাস্তাটি ঠিক করে দিতে হবে। নচেৎ বিল পাবেন না।.

আকাশজমিন/আরআর

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর