সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি / : 429
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে কাবিটা-টিআর প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থে নিম্নমানের ইট দিয়ে রাস্তা নির্মানে আভিযোগ উঠেছে এক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। ওই রাস্তার নির্মান ব্যয় ধরা হয়েছে সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তাড়াশ উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের কুন্দইল গ্রামে শাহানুরের বাড়ি হতে জাহিদুলের বাড়ি পর্যন্ত ১৫০ ফিট ইট সলিংয়ের রাস্তায় নিম্নমানের ইট ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যান মো. জুলফিকার আলী ভুট্টোর বিরুদ্ধে। স্থানীয় জনগণ কাজে বাধা দিলেও কাজ বন্ধ না করে ওই নিম্নমানের ইট দিয়েই নির্মান কাজ শেষে করেছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ওই রাস্তায় ব্যবহৃত ইট গুলোর তিন ভাগই আদলা প্রকৃতির নিম্নমানের ইট। যা যাত্রী বোঝাই ভ্যানের চাকার চাপেই ভেঙে যাচ্ছে। স্থানীয়দের বাধা উপেক্ষা করে ওই রাস্তার সলিংয়ের কাজ শেষ করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে এলাকাবাসীর। স্থানীয় বাসিন্দা আমজাদ হোসেন জানান, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের ইউনিয়ন পরিষদের অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বাড়াতে এলজিএসপি প্রকল্পে সগুনা ইউনিয়নের কুন্দইল গ্রামে ইট সলিংয়ের জন্য টিআর ও কাবিটার সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ আসে। কিন্তু উক্ত কাজে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্টো প্রভাব খাটিয়ে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করছেন। নির্মান শ্রমিক আব্দুল খালেক নিম্নমানের ইট ব্যবহারের কথা স্বীকার করে জানিয়েছেন, চেয়ারম্যান আমাদের যে ইট দিয়েছে তাই দিয়ে আমরা কাজ করেছি।
ওই
রাস্তার প্রকল্প সভাপতি ইউপি সদস্য ইয়াসিন আলী বলেন, আমি প্রকল্প সভাপতি হলেও কাজটি
মূলতঃ চেয়ারম্যানের। তাঁর নির্দেশনা মোতাবেক কাজ হয়েছে।ম এ
বিষয়ে সগুনা ইউপি চেয়ারম্যান মো. জুলফিকার আলী ভুট্টো বলেন, অনেকের কাছে ইটের মান খারাপ
হলেও আমি ভাল মানের ইট দিয়েই সলিংয়ের কাজ করেছি। এ
প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস এম শামীম আহম্মেদ বলেন, এখনও
কাজের বিল পরিশোধ করা হয়নি। যদি রাস্তার কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করে কাজ করে থাকে,
তাহলে চেয়ারম্যানকে ভাল ইট দ্বারা ওই রাস্তাটি ঠিক করে দিতে হবে। নচেৎ বিল পাবেন না।.
আকাশজমিন/আরআর