ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড অন্ধ্র প্রদেশ, নিহত ৫ কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর, কাঠগড়ায় ড্যাব ইনানীতে গভীর নলকূপের গর্ত থেকে দুই দিন ধরে জ্বলছে আগুন এল নিনো ও যুদ্ধের প্রভাবে নতুন খাদ্যসংকটের সতর্কবার্তা বিশ্বব্যাংকের দেশের ৮ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফসহ চারজনের রায় আজ স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: ৬৮ জনের মৃত্যু, ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক সৌদিতে মাঝআকাশে উড়িয়ে দেওয়া হলো হুথিদের ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রাইজবন্ডের ১২৫তম ড্র রোববার, প্রথম পুরস্কার ৬ লাখ টাকা জাপান সফরের তৃতীয় দিনে একাধিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও জাদুঘর ঘুরে দেখলেন জুবাইদা রহমান

ব্রহ্মপুত্র নদীতে নিখোঁজ বাকী দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার


  • আপলোড সময় : বুধবার ০২ জুলাই, ২০২৫ সময় : ৪:২৯ পিএম

কিশোরগঞ্জ ব্যুরোঃ

মাদরাসায় যাওয়ার পথে মঙ্গলবার (১ জুলাই) সকালে ব্রহ্মপুত্র নদে নৌকাডুবিতে তিনজন শিক্ষার্থী নিখোঁজ হন। ঘটনার দিন মঙ্গলবার উদ্ধারকর্মীদের অভিযানে একজনকে উদ্ধার হলেও বাকী দুইজন নিখোঁজ ছিল। বুধবার (২ জুলাই) সকালে নৌকাডুবির ঘটনাস্থল থেকে দুই কিলোমিটার দূরে ভাসমান অবস্থায় অপর শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারে চলছে শোকের মাতম।

নিহতরা হলেন- কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের চরআলগী গ্রামের মাইন উদ্দিনের মেয়ে শাপলা আক্তার (১৪), হাবিব মিয়ার ছেলে আবির (৭) ও মোমতাজ উদ্দিনের ছেলে জুবায়ের (৮)। নিহতদের সবাই উপজেলা পার্শ্ববর্তী গফরগাঁও উপজেলার বিরই নদীরপাড় দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থী ছিলেন। এর মধ্যে শাপলা আক্তার ও আবির সম্পর্কে ফুফু-ভাতিজা হন।

জানা গেছে, উপজেলার চরআলগী গ্রামের ওই তিন শিক্ষার্থীসহ মোট ৯ জন কোষা নৌকা (ছোট নৌকা) দিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদীর উপর দিয়ে মাদরাসায় পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে নৌকাটি ডুবে যায়। এতে নৌকায় থাকা নয়জনের মধ্যে ছয়জন সাঁতরে পাড়ে উঠলেও নদে ডুবে নিখোঁজ হন ওই তিনজন। খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অভিযান চালিয়ে শাপলা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে। দিনভর অভিযান চালিয়েও নিখোঁজ অপর দুইজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরদিন সকালে ঘটনাস্থল থেকে দুই কিলোমিটার দূরে ওই দুইজনের মরদেহ ভেসে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে পরিবারের লোকজন গিয়ে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারগুলো তিনজন হারিয়ে শোকে মাতম করছে এছাড়াও পুরো গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এলাকাবাসীরা বলেন,আমাদের প্রশাসনের কাছে দীর্ঘদিনের দাবি এখানে একটি সেতু নির্মাণ করার। সেতু নির্মাণের বিষয়টি নিয়ে ভাবতে স্থানীয় প্রশাসনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, নৌকাডুবে একসঙ্গে একই গ্রামের তিনজনের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। ঘটনার পর থেকে উপজেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছে। পরিবার দুটির পাশে রয়েছে উপজেলা প্রশাসন।



এ সম্পর্কিত আরো খবর