ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

রাজশাহীতে পানি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের জরিমানা, বিপনন বন্ধের নির্দেশ


  • আপলোড সময় : বুধবার ০৯ জুলাই, ২০২৫ সময় : ৪:৩৫ পিএম

উত্তরাঞ্চল প্রতিনিধি:

রাজশাহীর চারঘাটে গুণগত মানসনদ গ্রহণ না করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ‘ড্রিংকিং ওয়াটার (জার) ও নিম্নমানের ‘ব্যাটারী পানি উৎপাদন ও বিক্রি করায় ইমরান পিওর ড্রিংকিং ওয়াটার নামের এক প্রতিষ্ঠানের বিপনন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ওই প্রতিষ্ঠানের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয় জেলার চারঘাট উপজেলার হলিদাগাছী এলাকায় এ অভিযান চালায়। বুধবার বিএসটিআইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিএসটিআই, রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিদর্শনকারী কর্মকর্তা (সিএম) প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ জানান, উপজেলার হলিদাগাছী এলাকায় মানসনদ গ্রহণ না করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ‘ড্রিংকিং ওয়াটার (জার) ও নিম্নমানের ‘ব্যাটারী পানি উৎপাদন করে আসছিলো ইমরান পিওর ড্রিংকিং ওয়াটার নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

অবৈধভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করায় মঙ্গলবার বিকেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌসের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় ওই প্রতিষ্ঠানের পঁচিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া গুণগত মানসনদ প্রাপ্তি পর্যন্ত সকল প্রকার উৎপাদন ও বিক্রি-বিতরণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিএসটিআই রাজশাহীর সিএম জানান, ‘ড্রিংকিং ওয়াটার (খাবার পানি)’ অধিকতর মানসম্মত পরিবেশে, পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় মান নিয়ন্ত্রণ করে উৎপাদন করতে হয়। মান পরীক্ষণের জন্য কেমিক্যাল ও মাইক্রোবায়োলজিক্যাল ল্যাবরেটরী থাকা আবশ্যক হলেও তার কোনরকম ব্যবস্থাই ছিলো না প্রতিষ্ঠানটিতে। বরং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছিলো খাবার পানি। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটিতে ‘ব্যাটারী পানি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি যেমন-রভার্স অসমোসিস মেশিন, অ্যানায়ন, ক্যাটায়ন ছিলো না। তারা স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের ব্রান্ড ‘ভলভো নকল করে তৈরি করছিলো ব্যাটারী পানি।

আকাশজমিন/আরআর

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর