আন্তর্জাতিক ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের
পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে গত মঙ্গলবার বাংলাদেশের কিছু ইস্যু নিয়ে
প্রশ্ন করেন এক সাংবাদিক।
এর মধ্যে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূইয়াঁর বিমানবন্দরে ম্যাগাজিন নিয়ে যাওয়া এবং
খিলক্ষেতের অননুমোদিত হিন্দু মণ্ডপ উচ্ছেদের প্রসঙ্গ ছিল। তবে মার্কিন
পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র তামি ব্রুস এ
দুটি প্রশ্নের একটিরও উত্তর দেননি। তিনি বাংলাদেশ-ভারত
সম্পর্ক নিয়ে তোলা এক
প্রশ্নে কিছু কথা বলেছেন।
যদিও সেগুলো ছিল কৌশলী উত্তর।
ব্রিফিংয়ে
ওই সাংবাদিক তামি ব্রুসের প্রতিক্রিয়া
জানতে চেয়ে বলেন, ‘সম্প্রতি
কোয়াড জোটের বৈঠকে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন
সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে নিজেদের আত্মরক্ষার সব অধিকার ভারতের
আছে। তিনি আশা প্রকাশ
করেন কোয়াডের সদস্যরা এটি বুঝবে। বাংলাদেশের
সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। এ বিষয়টি বিবেচনা
করে গত সপ্তাহে, বিমানবন্দরে,
গত বছর সরকার বিরোধী
আন্দোলনে ব্যবহৃত গোলাবারুদ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের লাগেজে
পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে এবং গত
সপ্তাহে বুলডুজার দিয়ে হিন্দু দুর্গা
মন্দির ভাঙ্গার বিষয়টি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া
কী?’
জবাবে
মার্কিন মুখপাত্র বলেন, “আমি জানি ভারত
ও বাংলাদেশের মধ্যে জটিল ইস্যু রয়েছে।
আরও তথ্যের জন্য আমি আপনাকে
স্টেট.গভ-এ চেক
করার জন্য বলব। সেখানে
প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্কো রুবিওর কোয়াড বৈঠক নিয়ে অনেক
তথ্য ও যৌথ বিবৃতি
রয়েছে। ওই বৈঠক সম্পর্কে
আপনাকে আমরা এটাই জানাতে
পারব।”তিনি আরও বলেন,
“আমি যুক্তরাষ্ট্র, ভারত বা অন্য
কোনো দেশ নিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
মতামত বর্ণনা করব না। কারণ
এটি কূটনৈতিক বিষয়। আমি আরও তথ্যের
জন্য আপনাকে যৌথ বিবৃতি দেখতে
বলব।”সূত্র: যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়