ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

বংশের মধ্যেই বিয়ে

দম্পতিকে লাঙলে বেঁধে ঘোরানো হলো গ্রাম!


  • আপলোড সময় : সোমবার ১৪ জুলাই, ২০২৫ সময় : ১০:০৭ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ভারতে এক আদিবাসী দম্পতিকে জোয়াল বেঁধে লাঙ্গল টানাতে বাধ্য করা হয়েছে। মূলত একই বংশে বা একই গোত্রে বিয়ে করার “অপরাধে গ্রামের পঞ্চায়েতের নির্দেশে জনসমক্ষে তাদেরকে এই অপমান ও শাস্তি দেওয়া হয়। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের ওড়িশা রাজ্যের কোরাপুট জেলায়। এই ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৪ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, রোববার ঘটে যাওয়া এই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়েছে এবং এটি ভারতজুড়ে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। ঘটনার দিন এক আদিবাসী ছেলে ও মেয়ে নিজেদের পছন্দে পালিয়ে গিয়ে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন।


পরে জানা যায়, তারা দুজনই একই গোত্রের, যা ওই অঞ্চলের আদিবাসী রীতিতে “নিষিদ্ধ হিসেবে বিবেচিত। এই অভিযোগে গ্রামে এক অনানুষ্ঠানিক পঞ্চায়েত বসে। পঞ্চায়েতের নির্দেশে, ওই দম্পতিকে জুতার মালা পরানো হয় এবং পুরো গ্রামে ঘোরানো হয়।

এরপর তাদের জোয়ালে বেঁধে গরুর মতো লাঙ্গল টানাতে বাধ্য করা হয়। ঘটনাটি চলাকালীন তাদের গায়ে হাত তোলার ঘটনাও ঘটে। ভারতে অবশ্য এটিই এমন প্রথম ঘটনা নয়। সম্প্রতি পাশের রায়গাড়া জেলাতেও ঠিক এমনই ঘটনা ঘটেছে। সেখানে এক যুবক নিজের ফুফাতো বোনকে বিয়ে করায় দুজনকেই একইভাবে জোয়ালে বেঁধে লাঙ্গল টানানো হয় এবং লাঠিপেটা করা হয়।

এদিকে ঘটনাগুলোর ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর, অনেকেই এই ধরনের বর্বর ও অবমাননাকর “শুদ্ধিকরণ প্রথার নিন্দা জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের সংবিধান অনুযায়ী কারও ব্যক্তিগত পছন্দের বিয়ে করা অপরাধ নয়। অন্যদিকে এই ঘটনাগুলো সামনে আসার পর স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও বড়সড় গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।


এ সম্পর্কিত আরো খবর