সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি / : 344
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে পাট চাষে লাভবান কৃষক, ব্যস্ত কৃষক পাটকাঠি থেকে সোনালী আঁশ ছাড়াতে। শস্য ভাণ্ডার খ্যাত চলনবিলে সোনালী আঁশ পাট চাষে কৃষকের সুদিন ফিরেছে। চলতি মৌসুমে বিভিন্ন এলাকায় পাট কাটা, জাগ দেওয়া ও পাটকাঠি থেকে পাট ছাড়ানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক-কৃষাণীরা। পাট চাষে উৎসাহ দিতে চলতি বছরে তাড়াশ উপজেলায় ২ হাজার ৩০০ জন কৃষকদের মাঝে পাট বীজ বিতরণ করা হয়েছে।
অন্য
বছরের তুলনায় এবার পাটের ভালো
ফলন ও দাম বেশি
হওয়ায় কৃষকের মুখে হাঁসি ফুটেছে।
চলনবিলের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে,
বর্ষার পানি ও ভারি
বৃষ্টি হওয়ায় নদী- নালা,
খাল- বিল ডোবা ও
বিভিন্ন জলাশয়ে পানি জমে। সেই
পানিতেই চাষিরা পাট কেটে জাগ
দেওয়া, আঁশ ছাড়ানোর কাজে ব্যস্ত সময়
পার করছেন। কোথাও দেখা যাচ্ছে
পাট রোদে শুকানো আবার তা
হাটে বাজারে বিক্রি করতে। তাড়াশ
কৃষি অফিস সূত্র জানায়,
চলতি মৌসুমে তাড়াশ উপজেলায় গত বছরের চেয়ে
৭০০ হেক্টর জমিতে বেশী আবাদ হয়েছে।
উপজেলার
বিলনাদো গ্রামের পাট চাষি আশরাফুল
ইসলাম বলেন, এবছর
পাঁচ বিঘা জমিতে পাট
চাষ করেছেন তিনি। এক
বিঘা জমিতে পাট চাষে প্রায়
৭-৮ হাজার টাকা
খরচ হয় এবং বিঘা
প্রতি উৎপাদন হয় প্রায় ৮-১০ মন। যার
বাজারদর প্রায় ৩০ হাজার টাকা।
এছাড়াও প্রতি বিঘাতে প্রায়
২ হাজার টাকার পাটকাঠি পাওয়া যায়। গত বছর
প্রতিমণ পাট ২ হাজার
৮০০ টাকায় বিক্রি হলেও এ বছর
বিক্রি হচ্ছে ৩০০০-৩২০০ টাকা।
ক্রমশই পাটের দাম বাড়ায় কৃষক
খুশি।
তাড়াশ
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিলিয়া
জান্নাত জানান, পাট চাষীদের সুদিন
ফিরেছে। পাট চাষ করে
কৃষক এখন অনেক লাভবান
হচ্ছেন। পাটের দাম বেড়ে যাওয়ায়
এবার পাট চাষে ঝুঁকেছে
কৃষক। চলতি বছর
উপজেলায় ২ হাজার ৩০০
জন কৃষকদের মাঝে পাট বীজ
বিতরণ করা হয়েছে।
আকাশজমিন/আরআর