ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

বিমানবন্দর থেকে ১২৩ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো মালয়েশিয়া


  • আপলোড সময় : শুক্রবার ২৫ জুলাই, ২০২৫ সময় : ৩:২৮ পিএম

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ) থেকে সম্প্রতি মোট ১৯৮ জন বিদেশি নাগরিকের প্রবেশ প্রত্যাখ্যান করে ফেরত পাঠানো হয়েছে। যাদের মধ্যে ১২৩ জনই বাংলাদেশি। শুক্রবার সকালে এক প্রতিবেদনে দেশটির গণমাধ্যম মালয় মেইল জানিয়েছে, অভিবাসন শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তা, ছাড়া পর্যাপ্ত তহবিল না থাকা, আবাসনের বুকিং না থাকা এবং ভ্রমণের উদ্দেশ্য অস্পষ্ট থাকাকে এর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, প্রবেশ প্রত্যাখ্যান হওয়া মোট ১৯৮ জন বিদেশি নাগরিকের মধ্যে ১২৮ জনকে টার্মিনাল থেকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে ১২৩ জন বাংলাদেশি, জন পাকিস্তানি, জন ইন্দোনেশিয়ান এবং জন সিরীয় নাগরিক। অন্যদিকে, টার্মিনাল থেকে আটক করা হয়েছে বাকি ৭০ জনকে। এর মধ্যে ৫১ জন ইন্দোনেশিয়ান, ১৩ জন ভারতীয়, জন পাকিস্তানি এবং জন ভিয়েতনামের নাগরিক।

মালয়েশিয়ান সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ সুরক্ষা সংস্থা (একেপিএস)-এর মহাপরিচালক দাতুক সেরি মোহাম্মদ শুহেইলি মোহাম্মদ জাইন জানিয়েছেন, যাদের প্রবেশ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে, তাদের নট টু ল্যান্ড (NTL) পদ্ধতির অধীনে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলোই তাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার কাজ করবে।

তিনি আরও জানান, বেশ কয়েকজন আটককৃতের ফোনে একেপিএস কর্মকর্তাদের ছবি পাওয়া গেছে, যা সিন্ডিকেটে জড়িত থাকার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই ছবিগুলো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজর এড়াতে সহায়তা করার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছিল।

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন যে, মালয়েশিয়াকে যেন অবৈধ প্রবেশের ট্রানজিট হাব হিসেবে ব্যবহার করা না হয়, তা নিশ্চিত করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর