ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ড


  • আপলোড সময় : বুধবার ৩০ জুলাই, ২০২৫ সময় : ৮:৫৯ পিএম

সিরাজগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধিঃ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যার দায়ে স্বামী মতিউর রহমান খদগীর ওরফে আব্দুল মতিনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে ১ লাখ টাকা অর্থদন্ড করা হয়েছে। বিষয়‌টি নিশ্চিত করেছেন, আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট মাসুদুর রহমান। বুধবার (৩০ জুলাই) দুপুরে সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক বেগম সালমা খাতুন এ রায় প্রদান করেন। দন্ডপ্রাপ্ত মতিউর রহমান খদগীর ওরফে আব্দুল মতিন সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার ভায়াট গ্রামের বাহের আলীর ছেলে।

মামলার অভিযোগ পত্রে উল্লেখ আছে, ২০১০ সালের ২ জুন মানিকগঞ্জ জেলার তেরদোনা শোর হেলাচিয়া বাজার এলাকার আব্দুল কাদেরের মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিনের সাথে বিয়ে হয় সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার মতিউর রহমান খদগীর ওরফে আব্দুল মতিনের। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে আব্দুল মতিন স্থীর কাছে ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবী করে। যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকার করায় সাবিনা ইয়াসমিনকে মাঝ মধ্যে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো আব্দুল মতিন। এক পর্যায়ে ২০১১ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সকালে তাড়াশ উপজেলার দক্ষিন মথুরাপুর গ্রামের একটি ধান ক্ষেতের মধ্যে থেকে সাবিনা ইয়াসমিনের গলায় ওড়না পেঁচানো লাশ উদ্ধার করে তাড়াশ থানা পুলিশ।

যৌতুকের ২ লাখ টাকা আদায় করতে ব্যর্থ স্বামী আব্দুল মতিন স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করেছে বলে মামলার অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এঘটনায় নিহতের বড় ভাই আব্দুর রাজ্জাক বাদী হয়ে আব্দুল মতিন সহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৮-১০ জনকে আসামী করে তাড়াশ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে মতিউর রহমান খদগীর ওরফে আব্দুল মতিনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করে পুলিশ। মামলা চলাকালে দীর্ঘ স্বাক্ষ প্রমাণ শেষে আজ আদালত আব্দুল মতিনকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করে।

 

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর