শিবগঞ্জ (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ
শিবগঞ্জে
অনশনরত ফাতেমার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার। গোপনে ৮ মাস আগে বিয়ে করে ভাড়া বাসায় থাকতেন সোহেল
ও ফাতেমা। জানা যায়, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ময়দানহাট্টা গ্রামের আজাদ মন্ডলের ছেলে
সোহেল এর সাথে পার্শ্ববর্তী গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার
কুঠিবাড়ি গ্রামের বেলাল হোসেন এর মেয়ে ফাতেমা আক্তার ববিকে গোপনে বিয়ে করে সোহেল।
স্বামী-স্ত্রী
পরিচয়ে থাকতেন ভাড়া বাসায়। হটাৎ কোন কিছু না
বলে সোহেল তার স্ত্রী ববিকে ভাড়া বাসায় রেখে
চলে আসে গ্রামের বাড়ি ময়দানহাট্টায়। তারপর ববি তার স্বামীর সন্ধানে ময়দানহাট্রা সোহেল বাড়িতে আসেন। বিষয়টি জানতে পেরে
সোহেল আবারও বাড়ি থেকে পালিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। তারপর বেশ কয়েক দিন যাবৎ ফাতেমা স্ত্রীর অধিকারের দাবিতে সোহেল বাড়িতে
অবস্থান করেন। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় সোহেল
বাড়ি থেকে ফাতেমার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেন শিবগঞ্জ থানা পুলিশ। অনুসন্ধানে আরও জানা
যায়, পূর্বে ফাতেমা আক্তার ববির ওই গ্রামে
একজন সাথে বিয়ে হয়। সেই ঘরে একটা কন্যা সন্তান রয়েছে।
ফাতেমার
বাবা বেলাল হোসেন বলেন, "আমার মেয়েকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। আমি আমার মেয়ের
হত্যার বিচার চাই"। এবিষয়ে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুজ্জামান
বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।
আকাশজমিন/আরআর